1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান Md. Motiur Rahman’s travel permit to the United Arab Emirates শান্তিগঞ্জে সবার জন্য প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন

শ্রীমঙ্গলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে আপন দুই ভাইসহ ৪ তরুণের ম-র্মা-ন্তি-ক মৃ-ত্যু

শ্রীমঙ্গল মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ২৩৪ বার পঠিত

 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল আপন দুই ভাইসহ চার তরুণের। মোবাইল ফোন তুলতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে তারা একে একে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ ঘটনায় আহত আরও দুজনের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় একজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার রাত ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাজঘাট ইউনিয়নের হরিণছড়া চা বাগানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত চারজনই হরিণছড়া চা বাগানের চা শ্রমিক পরিবারের সন্তান। তারা হলেন-রানা নায়েক (১৭)তার বড় ভাই শ্রাবণ নায়েক (১৯) প্রতিবেশী কৃষ্ণ রবিদাস (২০) ও নিপেন ফুলমালি (২৭)।

আহতরা হলেন-রবি বুনার্জী (২০) এবং সঞ্জয়। তাদের মধ্যে রবি বুনার্জীকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা ধারণা করছেন, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম। ‘‘তিনি জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে জেনেছেন, ১০-১২ ফুট গভীর সেপটিক ট্যাংকে মোবাইল ফোন পড়ার পর সেটি তুলতে গিয়ে একজন একজন করে ট্যাংকে নামেন এবং বিষাক্ত গ্যাসে অচেতন হয়ে পড়েন এবং দু’জন আহত হন।’

স্থানীয় ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য অজয় ভৌমিক জানান, ‘‘রানা নায়েক টয়লেটে গেলে অসাবধানতাবশত তার মোবাইল ফোনটি সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। পরে সে ফোনটি তুলতে নিচে নামলে মুহূর্তেই অচেতন হয়ে পড়ে। ভাইকে বাঁচাতে বড় ভাই শ্রাবণ নায়েকও ট্যাংকে নামেন, তিনিও একই পরিণতি বরণ করেন। এরপর আরও দুই তরুণ তাদের উদ্ধারে নামলে তারাও মৃত্যুর ফাঁদে পা দেন।”
স্থানীয়রা অচেতনদের উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সব্যসাচী পাল তমাল জানান, “রাতে যাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল, তারা সবাই আগেই মারা গিয়েছিলেন। পরে আহত রবি বুনার্জীকে চিকিৎসা দিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়।”

তিনি আরও বলেন, “স্বজনদের কাছ থেকে জেনেছি, তারা সেপটিক ট্যাংকে নেমেছিল। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারে চলছে হৃদয়বিদারক আহাজারি। শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো হরিণছড়া চা বাগান এলাকায়।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর