হবিগঞ্জ পল্লি বিদুৎ সমিতির লাখাইর কালাউক জোনাল অফিসের অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকদের মাঝে বেশ কয় মাস ধরেই গ্রাহকের হাতে পৌছানো বিদুৎ বিল নিয়ে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ।
এলাকার গ্রাহকদের অভিযোগ—বিদ্যুৎ ব্যবহার কম হলেও মাসের শেষে হাতে আসছে অস্বাভাবিক অংকের বিলের কাগজ।
ব্যবহারের তারতম্য না থাকলেও প্রদত্ত বিলে কোথাও দ্বিগুণ, কোথাও আবার তিনগুণ পর্যন্ত ধরা হযেছে ব্যবহৃদ বিদুৎতের নীটবিল।
এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অনেক পরিবার ও ব্যবসায়ী।
কালাউক জোনাল অফিসের অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকদের মাসজুড়ে স্বাভাবিক ব্যবহার করলেও হঠাৎ করে “ভুতুড়ে বিল” আসায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।
স্থানীয় একাদিক গ্রাহক জানান, “আমার আগের মাসের বিল ছিল ১২০০ টাকা, কিন্তু এই মাসে এসে হয়েছে ৪৫০০ টাকা। অথচ ব্যবহার একই ছিল।
এব্যপারে লাখাই ( কালাউক) জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানাজারের সাথে আলাপকালে জানান বর্তমানে যে বিলটি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে তা জুলাই মাসের ব্যবহৃত বিদুৎ বিল আর ওই মাসে সাধারনত বিদুৎ বিল বেশি আসে তবে বিদুৎ বিলে ব্যাপক তারতম্য দেখা দিলে মিটারের রিডিং এবং বিলে উল্লেখিত রিডিং মিলিয়ে দেখতে হবে, এক্ষেত্রে যদি অসামঞ্জস্য বা গড়মিল দেখা যায তবে গ্রাহকদের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো. মতিউর রহমান
মোবাইল : ০১৭১০-৯০৪৮৬০
Copyright © 2026 দৈনিক প্রথম সিলেট. All rights reserved.