সিলগালা করা ল্যাবে গোপনে কার্যক্রম শুরু করেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ মা ও শিশু ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে কার্যক্রম পরিচালনা করায় এলাকায় শুরু হয়েছে তুলপাড়।
ল্যাব পরিচালনার অনুমতি ও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র না থাকায় চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারী সিভিল সার্জন নির্দেশে ল্যাবের কার্যক্রম বন্ধ করে সিলগালা করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
আজমিরীগঞ্জে মা ও শিশু ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের বৈধ কাগজ পত্র না থাকায় গত ২৮ জানুয়ারি আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ অভিজিত পাল উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই সেন্টারটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেয়।
বন্ধের কিছুদিন পর থেকেই মা ও শিশু ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারটি সিলগালাকে খুলে রোগ নির্নয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, মা ও শিশু ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের ভেতরে রোগীর চিকিৎসা, চিকিৎসকের চেম্বার ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে পুরোদমে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধ ল্যাব পরিচালনার করে যাচ্ছে মালিক পক্ষ।
মা ও শিশু ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের রিসিপশনে দায়িত্বে থাকা মুহিত মিয়া বলেন, আমাদের আবেদন করা হয়েছে। বাকিটা মালিক পক্ষের ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন বলতে পারবেন।
ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমাদের আবেদন করা হয়েছে। তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাম করেন শুধু। অন্যান্য পরিক্ষা নিরীক্ষা করার প্রমানদি প্রতিবেদকের নিকট আছে বললে তিনি বন্ধ করে দিবেন বলে জানান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানাযায়, ওই ল্যাব পরিচালনার অনুমতি ও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র না থাকায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ক্রমে ল্যাবের কার্যক্রম আপাদত বন্ধ ঘোষনা করেন।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, একটি ল্যাব পরিচালনার জন্য কোন মানদন্ডে পড়ে না মা ও শিশু ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার।তাঁর জন্য ওই সেন্টারকে বন্ধ করা হয়েছে। ওই সেন্টারে তাই গ্লাস সিস্টামের দরজা সেটাতে তালা ঝুলানোর কোন ব্যবস্থা নেই। বন্ধের নোটিশ লাগানো আছে। লোক পাটিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করাবো।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো. মতিউর রহমান
মোবাইল : ০১৭১০-৯০৪৮৬০
Copyright © 2026 দৈনিক প্রথম সিলেট. All rights reserved.