লাখাই উপজেলার করাব গ্রামের আব্দুল হেকিম, চোখে আলো নিয়ে পৃথিবীতে আসলেও ১৫বছর বয়সে অজানা রোগে আলো হারিয়ে ফেলেন হাকিম।
ফলে ৩০ বছরে একবারের জন্যও পৃথিবীর আলোর দেখেননি কোন দিন, ফলে অন্ধকারকে আলিঙ্গন করে বিভিষিকাময় পথচলা হাকিমের।
তবে কৈশর ফেরিয়ে এই পর্যায়ে এসেও জীবনযুদ্ধে হার মানেননি তিনি, চোখে দেখতে না পেলেও মনের শক্তি হারাননি কখনো। ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে শত কষ্টের মাঝেও সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। জীবকিকার তাগিদে চোখে না দেখেও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বিক্রি করেন আইসক্রিম আর নাড়ু।
প্রতিদিন ভোরে আলো চোখে না পড়লেও ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত হৃদয় নিয়ে বের হয়ে যান বাড়ি থেকে, কখনো পথচারীর কখনো আইসক্রিম নাড়ু ক্রয়করা ক্ষুদে কাষ্টমারে সহযোগীতা কিংবা দীর্ঘদিনের অব্যস্থতা আর আন্দাজের উপর ভর করে দিন শেষে দুই থেকে তিনশত টাকা মুঠে করে ফিরেন আপন সংসারে।
যে সংসারে আছেন স্ত্রী এবং ৫কন্যা সন্তান। নিত্য অভাব আর দৈন্যদশায় বড় তিন সন্তানের ইচ্ছা থাকার সত্তেও গুটিয়ে নিয়েছে পড়াশোনা তবে ছোট্ট দুই মেয়ে কোন রকম চালিয়ে গেলেও অর্থ অভাবে বড় মেয়েদের বিয়ে নিয়ে নিয়ে চরম শঙ্খায় রয়েছেন আঃ হেকিম। আলাপকালে জানা যায়, একমাত্র সরকারী প্রতিবন্ধি ভাতা ছাড়া অন্য কোন সহযোগীতা পাননা বলে উল্লেখ করে বলেন কার কাছে বলব সাহয্যের কথা আমার কথা তো কেউ শুনেনাও আবার আমার দুঃখ জানেওনা, বাবা হিসাবে সংশয়ে থাকি মেয়েদের ভাবিশ্যত নিয়ে এক্ষেত্রে আমার মেয়েদের মুখে হাসি ফুটাতে হৃদয়বানদের সহযোগী
কাম্য।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো. মতিউর রহমান
মোবাইল : ০১৭১০-৯০৪৮৬০
Copyright © 2026 দৈনিক প্রথম সিলেট. All rights reserved.