বিপিএলের নতুন আসরে প্রথম ম্যাচেই শক্ত অবস্থানের জানান দিল রংপুর রাইডার্স। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় দলটি।
টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেন রংপুর অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। শুরু থেকেই চট্টগ্রামের ইনিংসে ধস নামাতে থাকে রংপুরের পেস-স্পিন আক্রমণ।
ইংল্যান্ডের অ্যাডাম রসিংটন দলকে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি। মাত্র ১ রান করে প্রথম ওভারেই বিদায় নেন তিনি। এরপর ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন নাঈম শেখ ও মির্জা বেগ। ব্যাট হাতে আগ্রাসী ছিলেন নাঈম।
২০ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো ইনিংসে সাতটি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি। তবে পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই নাঈম আউট হলে চট্টগ্রামের ব্যাটিং আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
এক প্রান্তে মির্জা বেগ কিছুটা বিপর্যয় কাটানোর চেষ্টা করলেও বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি। ২৪ বলে ২০ রান করে তিনি ফিরে গেলে দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়, মাহফিজুল ইসলাম, মাসুদ গুরবাজ ও অধিনায়ক শেখ মাহেদী।
উইকেটের স্রোত থামাতে না পেরে ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১০২ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। রংপুরের হয়ে বোলিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন ফাহিম আশরাফ।পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ৫ উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের ইনিংস ভেঙে দেন। তাকে যোগ্য সহায়তা করেন মোস্তাফিজুর রহমান, যিনি নেন ২টি উইকেট। নাহিদ রানা, অ্যালিস আল ইসলাম ও সুফিয়ান মুকিম একটি করে উইকেট শিকার করেন।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন রংপুরের দুই ওপেনার ডেভিড মালান ও লিটন দাস। দুজনের জুটিতে দ্রুত আসে ৯১ রান। লিটন ৩১ বলে ৪৭ রান করে আউট হলেও ততক্ষণে ম্যাচ কার্যত একতরফা হয়ে যায়।
ডেভিড মালান ইনিংসের ভার নেন নিজের কাঁধে। ৪৮ বলে ৫১ রান করে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। শেষদিকে খুশদিল শাহ একটি ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ছিলেন অপরাজিত।
শেষ পর্যন্ত ৫ ওভার হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় রংপুর রাইডার্স। এই জয়ে বিপিএলের শুরুতেই প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য স্পষ্ট বার্তা পাঠাল সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো. মতিউর রহমান
মোবাইল : ০১৭১০-৯০৪৮৬০
Copyright © 2026 দৈনিক প্রথম সিলেট. All rights reserved.