সিলেটের বিমানবন্দর থানা এলাকায় এক কলেজ শিক্ষার্থীর উপর অর্তকিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
হামলায় আহত শিক্ষার্থীর নাম জারির ইবনে আলম নাবিল (২০), তার বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট থানাধীন সাহেবের বাজার এলাকার কুনিপাড়া গ্রামে। নাবিলের পিতা গৌছুল আলম, তিনি কানাডা প্রবাসী। বর্তমানে গৌছুল আলম কানাডাতে অবস্থান করিতেছেন।
সূত্র জানায়, নাবিলের মা তানিয়া বেগম ছেলে মেয়েদের নিয়ে কুমিল্লায় ভাড়া বাসায় আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করিতেছেন। কুমিল্লা থেকে পরিক্ষার দেওয়ার উদ্দেশ্যে জারির ইবনে আলম নাবিল সিলেটে আসেন। পরিক্ষা শেষ করে সিলেট থেকে পুনরায় কুমিল্লায় যাওয়ার পথে সিলেট বিমানবন্দর থানা এলাকায় তার উপর একদল সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। হামলাকারীদের হামলায় তার ডান হাতে আঘাত লাগে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নাবিল বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ঘটনার বিষয়ে নাবিলের মা তানিয়া বেগম বলেন, আমার ছেলে পরিক্ষা শেষ করে সিলেট থেকে কুমিল্লা আসার জন্য রওনা হয়। বন্দর বাজার এলাকায় আসামাত্র আমার ছেলে নাবিলের উপর দলীয় সন্ত্রাসীরা হামলা করে। হামলায় সরাসরি নেতৃত্ব দেয় বিমানবন্দর থানা বিএনপি'র সভাপতি কয়েছ লোদী, ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তারা মিয়া, আব্দুল মালিক, সোহাগ ছত্রীসহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী।
তাদের হামলায় আমার ছেলে গুরুতর আহত হয়। বর্তমানে আমার ছেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে আছে। আমি এই বর্বরোচিত ঘটনার বিষয়ে ২৬ এপ্রিল রাতে বিমানবন্দর থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে গেলে পুলিশ তা গ্রহন করেনি। আমি বর্তমানে আমার পরিবার নিয়ে বেশ আতঙ্কের মধ্যে আছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।
এ ঘটনার বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত নয়। আমাকে এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ওসি কিছুই জানায়নি। খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো. মতিউর রহমান
মোবাইল : ০১৭১০-৯০৪৮৬০
Copyright © 2026 দৈনিক প্রথম সিলেট. All rights reserved.