1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান Md. Motiur Rahman’s travel permit to the United Arab Emirates শান্তিগঞ্জে সবার জন্য প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন

শিশু ফাহিমাকে হত্যার পর মানুষের মধ্যে মিশে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ঘাতক জাকির: পুলিশ

প্রথম সিলেট ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ১০৭ বার পঠিত

সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ থানার আওতাধীন সোনাতলা বাজার এলাকায় চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমাকে হত্যার পর অভিযুক্ত জাকির এলাকাবাসীর সঙ্গে খোঁজাখুঁজি ও আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল।

মঙ্গলবার (১২ মে) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন,‍ “ঘটনার পর এলাকাবাসী যখন শিশুটিকে খুঁজছিল, তখন অভিযুক্ত জাকিরও তাদের সঙ্গে ছিলেন। এমনকি পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার সময় তিনি মানুষের সঙ্গে মিশে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন।”

পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, জাকিরের দেওয়া তথ্যনুযায়ী, গত ৬ মে সকালে শিশুটিকে একটি দোকান পাঠানো হয়। শিশুটি ফিরে এলে তাকে নিজের ঘরে ডেকে নেন জাকির। ওই সময় তার স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। ঘরের দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে জাকির। ধর্ষণ সংঘটিত হয়েছিল কি না, তা মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।

পুলিশের দাবি, একপর্যায়ে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ প্রথমে ঘরের ভেতরে একটি ব্রিফকেসে লুকিয়ে রাখা হয়। এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু হলে পরে সেটি সরিয়ে বাড়ির নিচে রাখা হয়। সেখান থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করলে মধ্যরাতে পাশের একটি ডোবায় মরদেহ ফেলে দেওয়ার চেষ্টা হয়। তবে মরদেহ পানিতে না ডোবায় ডোবার পাশেই রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্ত।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অভিযুক্তের দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাদর ও ব্রিফকেস উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব আলামত জব্দ করে তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হবে।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ডিসি (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “এখন পর্যন্ত সরাসরি অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।”

তিনি জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর ধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মাদক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “সিলেট মহানগরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা হচ্ছে।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর