
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় পৃথক দুটি
অভিযানে এসি চোরচক্রের ২ সদস্যকে চোরাই মালামালসহ গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অপর অভিযানে স্বজনগ্রাম খেয়াঘাট এলাকা থেকে ৩ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর দিবাগত রাত ৩টার পর উপজেলার পশ্চিম বুল্লা গ্রামের বাসিন্দা জনৈক আতাউর রহমানের (৫৫) বসতবাড়ির একতলা ভবনের বাইরের অংশে থাকা এসির আউটডোরটি অজ্ঞাতনামা চোরচক্র চুরি করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় বাড়ির মালিক আতাউর রহমান বাদী হয়ে লাখাই থানায় একটি নিয়মিত চুরির মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর লাখাই থানা পুলিশ দ্রুত তদন্তে নামে এবং চোরচক্রকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়,
পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে চুরির সাথে জড়িত পশ্চিম বুল্লা গ্রামের মো. ইলিয়াছ মিয়ার পুত্র মো. শাকিনুর ইসলাম ওরফে শাহিনুর মিয়া (২৭) এবং সিরাজ মিয়ার পুত্র মো. আহাদুল মিয়াকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়।
পরে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া স্বীকারোক্তি ও তথ্য অনুযায়ী চুরি হওয়া এসি উদ্ধার করে পুলিশ জব্দ করে, পরে আটক কৃতঃ দুজনকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে লাখাই থানা পুলিশের অপর এক মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ১নং লাখাই ইউনিয়নের স্বজনগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র সংলগ্ন খেয়াঘাটের পাশে পাকা রাস্তার ওপর এই অভিযান চালানো হয়।
লাখাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই/নিরস্ত্র) বিদ্যুৎ দে সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি মোছাঃ শিফালী খাতুনকে (৩২) আটক করেন। আটককৃত শিফালী খাতুন যশোর জেলার শার্শা উপজেলার চট কাপোতা গ্রামের মোঃ আবু হানিফের কন্যা এবং আব্দুল কুদ্দসের স্ত্রী।
পরে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর হেফাজত থেকে আনুমানিক ৬০ হাজার টাকা সমমূল্যের ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
লাখাই থানার পুলিশ প্রশাসন জানায়, অপরাধ দমন, চোরচক্রের মূলোৎপাটন এবং লাখাইকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।