1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান শান্তিগঞ্জে সবার জন্য প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

বানিয়াচংয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির ‘অপহরণ নাটক’, উদ্ধার জুয়েল

মো আব্দাল মিয়া :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৩ বার পঠিত

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে খান বাড়ির বাসভবন থেকে জুয়েল মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে অপহরণ এবং ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মৌলভীবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে। তবে পরবর্তী সময়ে ঘটনাটি জুয়েলের সাজানো অপহরণ নাটক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবারের দাবি, সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪ নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রাপাশা গ্রামের খান বাড়ির বাসভবন থেকে জুয়েল নিখোঁজ হন। পরে তাঁর পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
জুয়েল মিয়া একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. মোশাহিদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে তিনি যাত্রাপাশা খান বাড়ির বাসভবন ও বাড়ির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

জুয়েলের স্ত্রী রুবি আক্তার জানান, ঘটনার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে তাঁর স্বামী খান বাড়ির বাসভবনে থাকার জন্য বেরিয়ে যান। রাত ২টার দিকে ভিডিও কলে তাঁর স্বামীর সঙ্গে কথা হয়। তখন জুয়েলকে খান বাড়িতেই অবস্থান করতে দেখেন তিনি। এরপর ঘুমিয়ে পড়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর তাঁর মোবাইল ফোনে কয়েকটি কল আসে। সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি কলগুলো দেখতে পান।
তিনি আরও জানান, স্বামীর কোনো খোঁজ না পেয়ে আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। এরই মধ্যে জুয়েলের মোবাইল ফোন থেকে তাঁর শ্যালক কাওছার মিয়ার নম্বরে কল আসে। ফোনে জুয়েল চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন এবং তাঁকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়। এ সময় তাঁকে মুক্তি দিতে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় রুবি আক্তার বাদী হয়ে বানিয়াচং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হকের নেতৃত্বে এবং এসআই জিয়াউল বানির পরিচালনায় পুলিশ অভিযান শুরু করে। পরে মৌলভীবাজার থানা পুলিশের সহযোগিতায় মৌলভীবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে জুয়েল মিয়াকে স্বাভাবিক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হক জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অভিযান চালানো হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে মৌলভীবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে জুয়েল মিয়াকে স্বাভাবিক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, অপহরণের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে ঘটনাটি জুয়েলের সাজানো বলে জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর