1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতা সাজলের আকস্মিক মৃত্যুতে এমপি কয়ছর আহমদ সহ বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীমঙ্গলে দস্যুতার মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান

বৃষ্টি হলেই কাঁদা মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয় দীঘলবাগ গ্রামবাসীর

মো আবু হেনা (আজমিরীগঞ্জ) :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৩১ বার পঠিত

 

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের দীঘলবাগ ও নোয়াহাঠি গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁদায় একাকার হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়।

বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাঁদা-পানির সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি ও মাটি মিশে কাদায় একাকার হয়ে যায় পুরো রাস্তা। এতে বিপাকে পড়েন ওই এলাকার হাজারো মানুষ।

রাস্তাটি প্রায় পনেরো বছরের অধিক সময়ের পূর্বে কেয়ার নামক একটি এনজিও সংস্থায় নির্মান করা দেয়। এত বছরেও কাঁচা রাস্তাটিতে ইট সিমেন্টের ছোঁয়া না লাগায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের বদলপুর বাজার থেকে দীঘলবাগ ও নোয়াহাঠি গ্রামের একমাত্র রাস্তাটির প্রবেশ মুখ কাঁদায় একাকার। কিছুদূর যাওয়ার সামান্য ভালো হলেও তারপর থেকে দীঘলবাগ গ্রাম পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

বিকল্প কোনো পথের ব্যবস্থা না থাকায় হাঁটু সমান কাঁদা মাড়িয়েই চলাচল করতে হয় স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ সকল বয়সের নারী পুরুষদের। সারা বছরের প্রায় ৪/৫ মাস ভোগান্তির শিকার হতে হয় গ্রামবাসীদের।

বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হয় তাদের। এই এলাকার মানুষের আতঙ্ক ও ভয়ের আরেক নাম বৃষ্টি। বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জমে হাঁটু সমান কাঁদা। কাঁদার জন্য গ্রামের এ রাস্তায় কোনো যানবাহন ঢোকে না। খালি পায়ে হেঁটে চলাচল করাও দায়। কখন যানি কাঁদায় পড়ে জামা-কাপর নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কাঁধে করে কর্দমাক্ত রাস্তা পার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে আলাপকালে তাঁরা বলেন, এই রাস্তাটি সংস্কারের পদক্ষেপ গ্রহন করতে দেখা যায়নি জনপ্রতিনিধিদের। প্রতি বছরই বৈশাখ মাসে বোরো ধান তুলার জন্য আমরা গ্রাম বাসির পক্ষথেকে রাস্তার গর্ত পূরনের জন্য ট্রলি দিয়ে মাটি ফেলি।

স্থানীয় বাসিন্দা জগন্নাত চন্দ্র দাস, পরিতোষ দাস ও গণেশ চন্দ্র দাস বলেন, আমাদের দুঃখ-কষ্ট, দুর্ভোগের কথা কার কাছে বলবো। আমাদের ভোগান্তির কথা বলে বোঝানো যাবে না, প্রতিদিনই চেয়ারম্যান ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন, নিজ চোখে দেখতে পান আমাদের দুর্ভোগ। আমরা ঠিকমতো হাটবাজারে যেতে পারি না। কৃষিপণ্য সময় মতো বিক্রি করতে পারি না। আমাদের ছেলে-মেয়েরা কষ্ট করে স্কুল-কলেজে যায়। বিশেষ করে বৃষ্টি-কাদার দিনে জুতা স্যান্ডেল হাতে নিয়ে এক কিলোমিটার কাদা মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়। আর কত কাল এ কষ্ট করতে হবে কে জানে।

সুশিল দাস বলেন, মেম্বার চেয়ারম্যানরা যদি আমাদের দুঃখ দুর্দশা বুঝত তাহলে এই রাস্তা আরো আগেই হতো৷ প্রশেণজিৎ দাস বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎধরে আমরা কাঁদা মাড়িয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে পার আঙ্গুলের চিপায় ঘাঁ হয়ে যায়। তখন চলাফেরা করতে অনেক কষ্ট হয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য শ্যামল চন্দ্র দাস বলেন,ওই গ্রামগুলোর প্রধান সমস্যা হলো রাস্তা। প্রায় পনের বচর পূর্বে কেয়ার নামক এনজিও রাস্তাটি নির্মান করেছিলো। তারপর থেকে ওই রাস্তায় সরকারি ভাবে কেন উন্নয়ন হয়নি বলে তিনি স্বীকার করে বলেন, আমাদের পরিষদে কাবিখা, টি-আর বরাদ্দ আসে অল্প। তারমধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডেই কাজ করতে হয়। ওই রাস্তাটি অনেক বড় বিধায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বদলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শুশেনজিৎ চৌধুরী বলেন, এই রাস্তাটি খুবই প্রয়োজন। বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেছি। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী (এলজিউডি) আইডি ভূক্ত করা হয়েছে।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর