1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতা সাজলের আকস্মিক মৃত্যুতে এমপি কয়ছর আহমদ সহ বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীমঙ্গলে দস্যুতার মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান

ছাতকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী শিশু বদর উদ্দিন হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবী |

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৭ বার পঠিত

 

ছাতকে শিশু বদর উদ্দিন হত্যার ঘটনায় থানা পুলিশের রহস্যজনক আচরণ নিয়ে সন্ধিহান হয়ে পড়েছেন নিহত বদর উদ্দিনের পরিবার। শুক্রবার বিকেলে ছাতক প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বদর উদ্দিনের হতাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবী করেছেন উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের খাইরগাও গ্রামের বদর উদ্দিনের মাতা হুসনা বেগম।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন নিহত বদর উদ্দিনের পিতা আব্দুল হেকিম, মামা ইসলাম উদ্দিন ও বড়ভাই সামছ উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে হুসনা বেগম জানান, তার ছেলে বদর উদ্দিন (১৩) স্থানীয় জামেয়া ইসলামিয়া হাসনাবাদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। গত বছরের ১৫ নভেম্বর দুপুরে পাশের গ্রামের নয়া লম্বাহাটি মহিলা মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিলে যায় বদর উদ্দিন। রাত ৮ ঘটিকার মধ্যে বাড়ি না ফেরায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হয়। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে করছ খালী ব্রীজের উপর বদর উদ্দিনের সহপাঠী একই গ্রামের পারভেজকে দেখতে পেয়ে বদর উদ্দিন কোথায় জিজ্ঞাসা করলে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে দৌড়াইয়া ধরে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় করছখালী ব্রীজের পুর্ব দিকে ধানক্ষেতে বদর উদ্দিনকে শায়িত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছে। নিহত বদর উদ্দিনের পিতা আব্দুল হেকিম ও মাতা হুসনা বেগম, পারভেজ-কে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলের গিয়ে জমির আইলের মধ্যে বদর উদ্দিন পড়ে আছে দেখে চিৎকার করেন এবং এসময় তাদের সাথে থাকা পারভেজ ও একই গ্রামের সাব্বির ও আব্দুল আলিম ধান ক্ষেত থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এখান থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বদর উদ্দিনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ছাতক হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। থানা পুলিশ হাসপাতালে এসে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে লাশ থানায় নিয়ে যায়।

পরদিন ১৬ নভেম্বর ময়না তদন্তের জন্য লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পুলিশ প্রেরন করে এবং আমরাও লাশের সাথে যাই। ময়নাতদন্ত শেষে দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ শহরেই লাশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।আমরা লাশ বাড়িতে নিয়ে এসে বিকেলে দাফন সম্পন্ন করি। ঘটানার ২দিন পর গ্রামের পারভেজ আমাদের বাড়িতে এসে জানায়,গ্রামের সাব্বির ও আলিম উদ্দিন আমার ছেলে বদর উদ্দিন-কে দৌঁড়াইয়া ধানক্ষেতে নিয়ে যেতে সে দেখেছে এবং ঘটনা দেখে সে-ও তাদের পিছু নিয়েছিলো। ধানক্ষেতের আইলে বদর উদ্দিনকে সব্বির ও আলিম উদ্দিন মিলে মারপিট করতে দেখেছে সে। বাড়ির দিকে ফেরত আসার পথে পারভেজ-কে রাস্তায় পেয়ে যান নিহত বদর উদ্দিনের পিতা ও স্বজনরা। হুসনা বেগম তার ছেলে হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আমাদেরকে বার-বার হয়রানি করেছে। অপারগ হয়ে সুনামগঞ্জ আমল গ্রহনকারী আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন তিনি। ( নং-৭৮/২৬ ধারা ৩০২/৩৪)।

সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন হত্যা মামলার আসামি খাইরগাও গ্রামের আব্দুস শহিদের ছেলে মোঃ সাব্বির, নুর আলমের ছেলে মোঃ পারভেজ ও মৃত আব্দুল হামিদের পুত্র আলিম উদ্দিন প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় নি। হুসনা বেগম ও তার স্বজনরা বদর উদ্দিন হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবী জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর