জৈন্তাপুর উপজেলার পর্যটনের সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত হয় মতবিনিময় সভা।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, জেলা অতিরিক্ত (রাজস্ব) হোসেইন মোহাম্মদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমা আক্তার, সহকারী কমিশনার ভূমি ফারজানা আক্তার লাবনী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবেদ হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম রিয়াজ মাহমুদ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রঞ্জন চক্রবর্তী, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপার ভাইজার আজিজুল হক খোকন, জৈন্তাপুর মডের থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, ১নং নিজপাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, ৩নং চারিকাটা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সুলতান করিম, ৪নং দরবস্ত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাসিনুর রহমান, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অলিউর রহমান, হাওর বিওপি-ডিবির হাবিলদার মো. আবু তাহের, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আল আমিন, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা হ্যাপি রানী সরকার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেন্টু পুরকায়স্থ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাসলিমা, পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী সজল চাকলাদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবেদ হাসান, সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন, বন কর্মকর্তা বিপ্লব হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা জৈন্তাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়, ঝর্ণা, ঐতিহাসিক নিদর্শন ও নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে কাজে লাগিয়ে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক বলেন, “জৈন্তাপুর পর্যটনের অপার সম্ভাবনার এক ভূখণ্ড। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব।”
সভায় জৈন্তাপুরকে একটি পর্যটন বান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, তথ্য কেন্দ্র স্থাপন, প্রশিক্ষিত গাইড নিয়োগ ও প্রচারণা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়। সভা শেষে অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে মতামত গ্রহণ করে একটি প্রাথমিক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণের ঘোষণা দেন উপজেলা প্রশাসন।