সিলেট চলমান শ্রমিকদের ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পালিত কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদ। সভায় শ্রমিকদের যুক্তিক দাবী মেনে নেওয়ার আহবান জানান।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কার্যালয়ে এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দিলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে জরুরি সভায় উপস্থিত ছিলেন, ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. কুদ্দুছ আহমদ সুমন, ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. জিল্লু মিয়া, ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. মোক্তার, ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. নাজিম উদ্দিন ইমরান, ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. মঈন উদ্দিন, ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার আনছার আলী, ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. মুহিবুর রহমান কাজল, ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার আতাউর রহমান শামীম।
সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দিলোয়ার হোসেন। তিনি জানান শ্রমিকরা যে দাবী নিয়ে আন্দোলন করছেন তা সঠিক। আশাকরি প্রশাসন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের যুক্তিক দাবী মেনে নিবেন।
উল্লেখ্য পরিবহন শ্রমিক নেতাদের দাবিগুলো হচ্ছে- সড়ক পরিবহন আইন ২-১৮ এর ৩৬ ধারা প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার বাস মিনিবাসের ক্ষেত্রে ২০, ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যানের ক্ষেত্রে ১৫ ও সিএনজি ইমা ও লেগুনার ক্ষেত্রে ১৫ বছর ইকোনোমিক লাইফ নির্ধারণ করার প্রজ্ঞাপন বাতিল, সিলেটের সব পাথর কোয়ারির ইজারা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার ও সনাতন পদ্ধতিতে বালু মহাল এবং পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া, বিআরটিএ কর্তৃক গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট প্রদানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বাতিল ও গণপরিবহণের উপর আরোপিত বর্ধিত ট্যাক্স প্রত্যাহার, সিলেটের সব ক্রাশার মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ বন্ধ, বিদ্যুতের মিটার ফেরত ও ভাঙচুরকৃত মিলের ক্ষতিপূরণ এবং গাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া পাথর বালুর ক্ষতিপূরণ, সিলেটের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে প্রত্যাহার এবং বালু পাথরসহ পণ্যবাহি গাড়ির চালকদের হয়রানি না করা।