আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মিষ্টির ওজনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। প্রতি কেজি মিষ্টির খালি প্যাকেটের ওজন ২৪৭ গ্রাম থেকে ২৫০ গ্রাম। প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

দোকানগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি। এসব দেখার যেন কেউ নেই। দোকানের সামনের অংশে পরিপাটি হলেও ভেতরের পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর।

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বেশকিছু মিষ্টির দোকান ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। মিষ্টি মাপা হয় প্যাকেটসহ। যার ওজন ২৪৭থেকে ২৫০ গ্রাম। এভাবে ঠকানো হচ্ছে ক্রেতাদের।

প্রকাশ্যে এমন প্রতারণা করলেও কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করছে। না উপজেলা প্রশাসন কিংবা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

শনিবার দুপুরে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানেটারী ইন্সপেক্টর আমজাদ হোসেন বদলপুর বাজারে গোপাল দাস নামে এক ব্যবসায়ীর দোকানে মিষ্টির খালি প্যাকেট ওজন দিয়ে ২৪৭ গ্রাম দেখতে পান। পরে তিনি ওই কার্টুনগুলো ধ্বংস করেন।

এসব মিষ্টির কার্টুনের ওপরের কভার হালকা থাকলেও নিচের অংশ ভারী। দোকানগুলোতে ক্রেতারা মিষ্টি কিনতে গেলে মিষ্টির প্যাকেট বা কার্টুনসহ মিষ্টি ওজন করা হয়। এতে ক্রেতারা ১ কেজি মিষ্টি কিনলেও প্রকৃতপক্ষে পান ৭৫৩ থেকে ৭৫০ গ্রাম।

বদলপুর বাজারের মিষ্টি ব্যবসায়ী গোপাল দাস জানান, তিনি নিজে মিষ্টি তৈরি করে বিক্রি করেন ২২০ টাকা কেজিতে। তিনি মিষ্টির খালি কার্টুনগুলো পাহাড়পুর বাজারের এক মিষ্টি ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ক্রয় করে এনেছেন।

স্যানেটারী ইন্সপেক্টর আমজাদ হোসেন জানান, বদলপুর বাজারে একটি মিষ্টির দোকানে খালি কার্টুনের ওজন ২৪৭ গ্রাম পেয়ে সকল কার্টুন বিনষ্ট করা হয়েছে। এ ধরনের কার্টুন ব্যবহার না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শ্যামল পুরকায়স্থ বলেন, ভূক্তাদের সাথে প্রতারনা করা হচ্ছে। প্রতারকদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে।