সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট থানাধীন মাখরখলা গ্রামের পার্শ্ববর্তী চা বাগানের পাশে থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার স্থানীয় লোকজন চা বাগানের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।

পরে মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি ভিজিটিং কার্ড থেকে জানা যায়, নিহত ব্যক্তি একজন কবিরাজ। কার্ডে তার নাম প্রতিবন্ধী কবিরাজ সানী এবং ঠিকানা উমদারপাড়া উল্লেখ রয়েছে।

জানা যায়, নিহত সানী পরিবারসহ সিলেট সদর উপজেলার উমদারপাড়া এলাকার লোকমান মিয়ার কলোনিতে বসবাস করতেন। কবিরাজির পাশাপাশি তিনি ধূপাগোল পয়েন্টে অস্থায়ীভাবে কাপড়ের ব্যবসাও করতেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ইফতারের পূর্বে তিনি সাহেবের বাজার এলাকার ঘোড়ামারা গ্রামে রোগী দেখার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। তবে রওয়ানা হওয়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর থেকেই তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এসএমপির এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে ছুটে যান পুলিশের ডিসি (উত্তর) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (উত্তর) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সানী নামের একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছি। এয়ারপোর্ট থানাধীন চা বাগানে পাহাড় বেষ্টিত এলাকায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে খুব শীঘ্রই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে তিনি জানান।