হবিগঞ্জের
লাখাইর নাজমুল হাসান হত্যা মামলার এক নারী আসামির একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে এবং অপর এক অভিযানে ৯টি মামলার পরোয়ানাভুক্ত এক দুর্ধর্ষ ডাকাতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে লাখাই থানা পুলিশ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট সকাল ১০টায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লাখাই উপজেলার মনতৈল গ্রামে নাজমুল হাসান (২০) নামের এক যুবককে হত্যা করা হয়, এই ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের বড় ভাই কামরুল হাসান বাদী হয়ে লাখাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার ৭ জন আসামির মধ্যে ১. মো. গিয়াসউদ্দিন (৫৫), ২. মো. রায়হান মিয়া (২০) এবং ৩. স্বপ্না আক্তার (৪৫) বিজ্ঞ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
পরবর্তীতে পুলিশ আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত মো. গিয়াসউদ্দিন ও মো. রায়হান মিয়াকে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ এবং স্বপ্না আক্তারকে ১ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গতকাল লাখাই থানা পুলিশ স্বপ্না আক্তারকে রিমান্ডে এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ পুনরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেছে।
এদিকে লাখাই থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দেশের বিভিন্ন জেলায় অপরাধ করে বেড়ানো ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ডাকাত লুৎফুর রহমান (৩০) উপজেলার পূর্ব সিংহগ্রামের শহীদ মিয়ার পুত্র।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন, সিলেট মেট্রোপলিটন, রাঙ্গামাটি এবং হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানায় দুটি করে ডাকাতি মামলাসহ সর্বমোট ৫টি ডাকাতি মামলা, ১টি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা, ১টি অস্ত্র মামলা এবং ২টি চুরি মামলা সহ দেশের বিভিন্ন থানায় মোট ৯টি মামলা রয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে লাখাই থানা পুলিশ তাকে কুপোকাত করতে সক্ষম হয়।
লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অপরাধী ও ডাকাত দমনে পুলিশের কঠোর অবস্থান এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।