আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে। হত্যা, ধর্ষণ ও বলাৎকারসহ বেশ কয়েকটি অপরাধকে মানবতাবিরোধী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এতে।
রোববার রাতে প্রকাশ হওয়া গেজেটে হত্যা, নির্মূল, দাসত্ব, নির্বাসন বা জোরপূর্বক জনসংখ্যা স্থানান্তর, কারাবাস, অপহরণ, বন্দী, নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন শোষণ, বলাৎকার করা, গুম, মানব পাচার, যৌন দাসত্ব, জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি, জোরপূর্বক গর্ভাবস্থাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
একইসাথে গেজেট হওয়া সংশোধিত আইনে জোরপূর্বক জীবাণুমুক্তকরণ বা অন্যান্য অমানবিক কাজ সংঘটিত হলে তা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ‘ফ্যাসিস্ট’ আওয়ামী লীগ সরকার যে গণহত্যা চালিয়েছে, এর বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
তবে এই বিচারকাজ নিয়ে দেশে-বিদেশে কোথাও যেন কোনো প্রশ্ন না ওঠে সেজন্য সরকার আইনটিতে কিছু সংশোধনী আনার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
আইনের সংশোধনী খসড়ায় বলা হচ্ছে, ট্রাইব্যুনালের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকবে ভুক্তভোগীর। যদিও শেখ হাসিনা সরকারের করা আইনটিতে এই সুযোগ ছিল না।