মৌলভীবাজার জেলার অন্তর্গত ধোবার হাট গ্রামে দূর্গা মন্দিরে নবমীপুজা চলাকালীন সময়ে একদল উগ্রবাদী পুজামন্ডপে হামলা চালায়। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) রাত রাত ৮টায় দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালিয়েছে উগ্রবাদীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নবমীপুজার আরতি চলাকালীন সময়ে পুজামন্ডপে অস্ত্রসহ ১৫-২০ জন উগ্রবাদী প্রবেশ পড়ে এবং তারা সাধারণ হিন্দুদের উপর আক্রমণ চালায়। পংকজ দাশকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে তার উপর আক্রমণ চালায়। এ সময় পংকজ দাশের খুতনি ও মাথা ফেটে রক্তক্ষরণ ঘটে। এই সময় হামলাকারীরা তার বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায় এবং মন্দির ভাংচুর করে। এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহো সহযোগিতার উগ্রবাদী হামলাকারীরা মন্দিরে হত্যার উদ্দেশ্য হামলা চালায়, তখন পুলিশ নির্বাক দাড়িয়েছিলো এমনকি তারা কোন মামলা নেয়নি বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন।

এ হামলার ঘটনায় মন্দিরে অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ আহত হন। পংকজ দাশের পরিবার সুত্রে জানা যায়, গতকয়েকদিন থেকেই উগ্রবাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী তাদের ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলো। এইসব হামলাকারীরারা বিভিন্ন রাজনীতি দলের সাথে সম্পৃক্ত। হামলার ঘটনার পরপরই পংকজ দাশকে মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মৌলভীবাজার জেলার তরুণ সনাতনী সংঘ এর সাধারণ সম্পাদক পংকজ দাশের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্ম-অবমাননার অভিযোগ তুলে পুজামন্ডপে হামলায় ঘটনা ঘটে।