সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশ সহ উভয় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। গত ০১ আগষ্ট ২০২৪ ইং তারিখে জৈন্তাপুর থানা চত্ত্বর এঘটনা ঘটে।

এঘটনায় এসআই মোঃ জাকির হোসেন বাদী হয়ে বিএনপি, ছাত্রদলের ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতানামা ১৫/২০ জনকে আসামি করে জৈন্তাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৫/৭০, তারিখ: ০১/০৮/২০২৪ ইং।

মামলার আসামীরা হলেন, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল জলিল, যুবদল নেতা আদনান পারভেজ, ছাত্রদল নেতা মাছুম আহমদ, আব্দুল মনাফ, ইসলাম উদ্দিন, আব্দুল করিম, আজির উদ্দিন, আব্দুল জববার, জামিল আহমদ, আলাল আহমদ, জামাল আহমদ, কামাল আহমদ, ইমরান আহম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ০১/০৮/২০২৪ইং তারিখ দুপুর অনুমান ২ ঘটিকার সময় বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে জৈন্তাপুর থানা চত্ত্বরে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করা হয় এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জৈন্তাপুর থানা শাখার কর্তৃক আয়োজিত তাদের অবস্থানকে জানান দেয়ার জন্য উক্ত ২.০০ ঘটিকার সময় জৈন্তাপুর থানা চত্ত্বরে কোটা আন্দোলন ও সরকার পতনের জন্য একটি মিছিল বাহির করা হয়। তখন পরস্পর মিছিল দুটি মুখোমুখী অবস্থানকালে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। উভয় দলের সন্ত্রাসী লোকজন তাদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য মিছিলে সংঘর্ষ চালায়। তাৎক্ষনিক পুলিশ মিছিলটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে। কিন্তু উভয় দলের উশৃঙ্খল নেতাকর্মীরা পুলিশের কথা না শুনে পরস্পর ইট পাটকেল, দেশীয় অস্ত্র বন্দুক, দা, কুড়াল, লাটি, সুলফি নিয়া মারামারিতে লিপ্ত হয়। এতে পুলিশ ও স্থানীয়রা মিলে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে।

জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা বলেন, জৈন্তাপুর বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের খবর পেয়েছি, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এঘটনার আমাদের পুলিশ বাদী একটি মামলা দায়ের করিয়াছেন। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।