ওসমানীনগর উপজেলার নিজ করনসী গ্রামের বাসিন্দা মফিজ উল্লার ছেলে উপজেলা যুবলীগ কর্মি মো. চুনু মিয়ার বাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লোটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (৭ আগস্ট ২৪ইং ) এ ঘটনা ঘটে। একই দিন দিবাগত রাতে ওই চুনু মিয়ার বাড়িসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পুলিশ বাহিনী।
স্থানীয়দের দাবি, কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই চালানো এই অভিযানে চুনু মিয়ার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, তবে এ অভিযানে বেআইনি কিছু পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ বলে মনে করছেন তারা। এলাকাবাসী এবং যুবলীগের নেতাকর্মীরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, মো. চুনু মিয়া ছিলেন,আওয়ামীলীগের সহযোগি সংগঠন যুবলীগের কর্মি। তিনি ওসমানীনগর উপজেলা যুবলীগের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন । জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর শুধুমাত্র পূর্বে যুবলীগের রাজনীতি করার কারনে পুলিশ ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের ভয়ে পলাতক রয়েছেন তিনি , ফলে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়েও তাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানায় , মো. চুনু মিয়া দীর্ঘদিন আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। গত ৫ আগস্ট স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পলায়নের পর গত বুধবার পুলিশ ও ১৫/১৬জন যুবক মোটর সাইকেল করে এসে চুনু মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় চুনু মিয়ার ঘরের আসবাবপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করা হয়, ও চুনুমিয়ার ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র লোটপাট করে নিয়ে যায়।
চুনু মিয়ার পরিবারের সদস্যরা জানান, তাদের বাড়িতে হামলা চালায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ক্যাডাররা।তাদের সাথে পুলিশ ও ছিল এসময় তাদেরকে মারপিট করা হয় এবং বাড়ি ভাংচুর ও লোটপাট করা হয় ও মোঃ চুনু মিয়া এবং তার ভাই মোঃ মিনুর মিয়াকে খোজাখুজি করে। তারা এ ব্যাপারে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে উল্টো অভিযুক্তদের পক্ষাবলম্ভন করে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে ওসমানী নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন জানান, দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সচেষ্ট। কোন অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখা হবে।