1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে ছারছীনার পীর সাহেবের শুভাগমন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল বর্ণাঢ্য আয়োজনে শান্তিগঞ্জ বাজারে সুনিয়া রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই জৈন্তাপুরের উন্নয়নে সবার সহযোগিতা চান নবাগত (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল হাসনাত খাঁন জৈন্তাপুরে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ আটক ৩ শান্তিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতা সাজল আহমদের দাফন সম্পন্ন, পরিবারে শোকের মাতম সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন বিএনপি নেতা সাজলের আকস্মিক মৃত্যুতে এমপি কয়ছর আহমদ সহ বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীমঙ্গলে দস্যুতার মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল

জৈন্তাপুরে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্ভোধন

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫
  • ৯০ বার পঠিত

জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় সারাদেশের মতো জৈন্তাপুরেও শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিতকরণে শুরু হয়েছে ক্যাম্পেইন।

শনিবার (১৫ মার্চ) সকাল ৮টায় জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মিলাদুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডা. সুজয় চৌধুরী ও ডা. হিল্লোল সাহা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচির লক্ষ্য—শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ, অপুষ্টি দূরীকরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এ বছর উপজেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৩,৩০৭ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ২৫,৩৩১ জন শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ১৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ১২০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, “শিশুর সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে ভিটামিন-এ ক্যাপসুলের কোনো বিকল্প নেই। সরকার বিনামূল্যে এ সেবা দিচ্ছে, তাই অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।”

ক্যাম্পেইনের সফল বাস্তবায়নে স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং স্থানীয় প্রশাসন একযোগে কাজ করছে। তবে জনসচেতনতার অভাব এবং কিছু এলাকায় প্রচারণার সীমাবদ্ধতা কার্যক্রমের সফলতায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সরকারের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার করা জরুরি। জনগণের সচেতনতা এবং সরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ই পারে শিশুর সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর