1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জৈন্তাপুরে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ আটক ৩ শান্তিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতা সাজল আহমদের দাফন সম্পন্ন, পরিবারে শোকের মাতম সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন বিএনপি নেতা সাজলের আকস্মিক মৃত্যুতে এমপি কয়ছর আহমদ সহ বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীমঙ্গলে দস্যুতার মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

জৈন্তাপুরে তিন যুগের দুঃখের অবসান, রেনু বেগম পেলেন মাথাগোঁজার ঠাঁই

জাহিদুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬৪ বার পঠিত

 

দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধরে ঘরহীন জীবন কাটিয়েছেন সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার পানিছড়া গ্রামের অসহায় রেনু বেগম ও তাঁর ছেলে। আশ্রয়হীন জীবনের কষ্ট তাঁকে করেছে পথের বোঝা, দুঃখ-দুর্দশার ছায়া যেন কোনোদিন ছাড়েনি পিছু। ৩৬ বছর আগে অসুস্থ হয়ে স্বামী মারা যান, সহা সম্পত্তি যা ছিল সব বিক্রি করে স্বামীকে চিকিৎসা করেও বাচাতে পারেন নি। এর পর থেকে মানুষের বাসা বাড়িতে কাজ করে জীবন চালিয়েছেন তিনি। ঘরবাড়ি না থাকায় মানুষের বাড়িতে থাকতে হয়েছে বহুবছর ধরে।

অবশেষে সেই অন্ধকার জীবনে আলো হয়ে আসেন “বিয়ানিবাজার মানবিক টিমের পরিচালক জুয়েল আহমদ। মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি উপহার দিলেন পাঁচ শতাংশ জমিসহ একটি টিনশেড ঘর। প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ঘর শুধু একটি আশ্রয় নয়, বরং রেনু বেগমের জীবনে ফিরিয়ে এনেছে নতুন ভোরের স্বপ্ন। ঘর পেয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন রেনু বেগম। তাঁর চোখের অশ্রু যেন সাক্ষ্য দিচ্ছিল ত্রিশ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। আর এ মহৎ উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মানবিক টিমের প্রবাসী সদস্যরাও।

রবিবার দুপুরে নতুন ঘরের উদ্বোধন করেন জুয়েল আহমদ, উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেটী নাটকে জনপ্রিয় নাট্যকার বেলাল আহমদ মুরাদ,দেশ সেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর জুয়েল, মানবিক টিমের সদস্য রোমেল আহমদ,ওলিউর রহমান সাজন, সাহানা সাইফ,সহ টিমের সদস্যরা।
আমি দীর্ঘ ৩৬ বছর মানুষের বাসা-বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছি। স্বামী মারা যাওয়ার পর একেবারেই অসহায় হয়ে পড়ি। জীবিত থাকাকালীন উনিও অসুস্থ ছিলেন সহায়-সম্পদ যা ছিল সব বিক্রি করে তাঁর চিকিৎসা করেও তাঁকে বাঁচাতে পারিনি। আজ এই ঘর পেয়ে আমার মনে হচ্ছে, নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখার মতো কিছু পেলাম। আমি সত্যিই অনেক খুশি।
জুয়েল আহমদ ইতোমধ্যেই দেশে-বিদেশে পরিচিত হয়েছেন মানবিক কাজের জন্য। দেশের বিভিন্ন স্হানে মসজিদ ও মাদরাসা নির্মাণ, টিউবওয়েল স্থাপন কিংবা অসহায়দের ঘর তৈরি প্রতিটি কাজেই তিনি ছড়াচ্ছেন আলোর দিশা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর