1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান Md. Motiur Rahman’s travel permit to the United Arab Emirates শান্তিগঞ্জে সবার জন্য প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন

শ্রীমঙ্গলে রিসোর্টে হামলা-ভাঙচুর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৭৩ বার পঠিত

 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি রিসোর্টে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, শ্লীলতাহানি এবং মালিক ও কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় শ্রীমঙ্গলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন রিসোর্টের নারী উদ্যোক্তা ঢাকার মহাখালী নিবাসী মোছা. লাবনী ইয়াছমিন। সংবাদ সম্মেলনে লাবনী ইয়াছমিন বলেন, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি ও তাঁর স্বামী শ্রীমঙ্গলের মোহাজিরাবাদ এলাকার জমির মালিক ইউসুফ খার কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে ৮৬ শতাংশ জমি ২০ বছরের জন্য লিজ নেন। প্রতি পাঁচ বছর পরপর লিজের টাকা পরিশোধের শর্তে একটি চুক্তিও সম্পাদিত হয়। এরপর প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘অরণ্যবাস ইকো রিসোর্ট’ নামে রিসোর্ট নির্মাণ করে পর্যটকদের কাছে ভাড়া দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, তৃতীয় দফার ১০ লাখ টাকার লিজের টাকা নির্ধারিত সময়ের দুই মাস পর স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ পরিশোধ করা হলেও বাকি ৪ লাখ টাকা পরিশোধ করতে গেলে জমির মালিক তা নিতে অস্বীকার করেন এবং শর্ত ভঙ্গের অজুহাতে রিসোর্ট খালি করে দেওয়ার চাপ দেন। লাবনী ইয়াছমিন জানান, গত ২৬ নভেম্বর ইউসুফ খা ও তাঁর লোকজন রিসোর্টে গিয়ে জোরপূর্বক রিসোর্ট খালি করার চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে রিসোর্টে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশের সহায়তায় তারা রিসোর্টে ফিরে আসেন। তবে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে গেলেও জমির মালিক টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ জানুয়ারি পুলিশ থানায় ডেকে নিয়ে তাঁর স্বামী কামরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন। সংবাদ সম্মেলনে লাবনী ইয়াছমিন অভিযোগ করেন, গত ২৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জমির মালিক ইউসুফ খা ২৮-৩০ জন লোক নিয়ে পুনরায় রিসোর্টে হামলা চালান। এ সময় রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়। তিনি দাবি করেন, হামলার সময় তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় এবং রিসোর্টের এক কর্মচারীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা ও জরুরি কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হামলার পর ৯৯৯-এ ফোন করে সহায়তা চেয়ে চিকিৎসা নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ এখনো অভিযোগ রেকর্ড করেনি বলে তিনি দাবি করেন। ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শনও করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। আইনি সহায়তা না পাওয়া এবং প্রতিপক্ষের অভিযোগ দ্রুত আমলে নিয়ে তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করার ঘটনায় শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন লাবনী ইয়াছমিন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, রিসোর্টে বিনিয়োগ করা প্রায় ৬০ লাখ টাকা হারিয়ে তারা বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, “মারধরের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে রিসোর্টের মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

আদালতই এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।” অন্যদিকে, জমির মালিক ইউসুফ খা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে। বিষয়টি আদালত ও থানায় মামলা করা হয়েছে। আদালতই এর সমাধান দেবে।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর