1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে ছারছীনার পীর সাহেবের শুভাগমন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল বর্ণাঢ্য আয়োজনে শান্তিগঞ্জ বাজারে সুনিয়া রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই জৈন্তাপুরের উন্নয়নে সবার সহযোগিতা চান নবাগত (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল হাসনাত খাঁন জৈন্তাপুরে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ আটক ৩ শান্তিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতা সাজল আহমদের দাফন সম্পন্ন, পরিবারে শোকের মাতম সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন বিএনপি নেতা সাজলের আকস্মিক মৃত্যুতে এমপি কয়ছর আহমদ সহ বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীমঙ্গলে দস্যুতার মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল

কোম্পানীগঞ্জে জায়গা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে হামলায় ব্যবসায়ী মৃত্যু শয্যায়

প্রথম সিলেট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৫৯ বার পঠিত

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পাথর ব্যবসায়ী আব্দুর রউফকে হত্যার উদ্দেশ্যে বেধড়ক মারপিট ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার ২৫ জুন ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬ টা৩০ মিনিটে উপজেলার দক্ষিন বুড়দেও বাদী বাবলুর ভাই হোসেন নূর এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধু স্টোন ক্রাশার মিলের সামনে রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।

এঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় বাবলু মিয়া বাদী হয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে ও অজ্ঞতনামা আরো ২/৩ জনের নামাল্লেখ একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২০, তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ ইং। ধারা: ১৪৩/৩৪১/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড।

মামলার আসামীরা হলেন-কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বুড়দেও গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহের পুত্র নুর মোহাম্মদ, ছাতক উপজেলার মাধবপুর গ্রামের তোফায়েলের পুত্র শিমুল, একই গ্রামের মৃত আলকাছ আলীর পুত্র তোফায়েল, দক্ষিণ বুড়দেও গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহের পুত্র সোহাগ সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন। তাদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

মামলা অভিযোগ সুত্রে জানা যায, আব্দুল রউফের সাথে আসামীগনের ব্যবসা ও জায়গা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জেরে আসামীগণ কিছুদিন পূর্বে তার ক্রাশার মিলের পাহারাদারকে মারপিট করে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার জন্য হুমকি দেয়। এই ঘটনায় একাধিকবার বিচার সালিশ হয়। কিন্তু কোন সমাধান হয়নি। আসামীগণ আব্দুর রউফ ও তার ভাইদেরকে প্রাণে হত্যার জন্য পায়তারা করে আসছে। এই বিরোধের জেলে আসামীগণ গত বুধবার ২৫ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আব্দুর রউফ আসামীদের গতিবিধি ভালো নয় দেখে মাসুদ রানাকে মোবাইলে ফোন করে বলে আসামীরা তাকে মারপিট করার পায়তারা করছে, তিনি ঘটনাস্থলে হোসেন নূরকে ফোনে ঘটনা অবগত করলে আমরা ঘটনাস্থলে রওয়ানা দেই। আসামীগণ বাদীর ভাই আব্দুর রউফকে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “বন্ধু স্টোন ক্রাশার মিলের” সামনের রাস্তায় একা পেয়ে আসামীগণ ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন আসামী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র, দা, রামদা, ডেগার ও চাকু ইত্যাদি নিয়া আমার ভাই আব্দুর রউফ এর পথরোধ করেয়া প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে চর্তুদিকে ঘেরাও করে মারপিঠ শুরু করে। ১নং আসামী অন্যান্য আসামীদের হুকুম দিয়া বলে, শালার বেটারে প্রানে হত্যা করে ফেল, যত টাকা যায় আমার যাবে, তখন ২নং আসামী শিমুল জখমী আব্দুর রউফকে খুন করার উদ্দেশ্যে তাহার হাতে থাকা রামদা দিয় বাম বগলের প্রায় ৫ ইঞ্চি নিচে ছেদ মারিয়া বুকের হাভিচ পর্যন্ত কাটিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। উক্ত আঘাতের ফলে তাহার কিডনির একাংশ কাটিয়া ক্ষতিগ্রস্থ হয়। উক্ত আঘাতের ফলে আমার ভাই মাটিতে লুটাইয়া পড়িলে আসামী নূর মোহাম্মদ তার হাতে থাকা চাকু দিয়া আমার ভাইয়ের মৃত্যু নিশ্চিত করার লক্ষে পেটের এক পাশ ঘাই মারিয়া অন্যপাশ পর্যন্ত টান মারিয়া কাটিয়া ফেলে, তখন আমার ভাইয়ের নাড়িবুড়ি পেট থেকে বাহির হইয়া যায়, উক্ত ঘাইয়ের ফলে জখমীর খাদ্যনালী কাটিয়া যায়। ৪নং আসামী সোহাগ আমার ভাইকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা লক্ষ করিয়া দা দিয়া ছেদ মারিলে উক্ত ছেদ আমার ভাইয়ের ডান হাতের বাহুতে পড়িয়া ৮-১০ ইঞ্চি পর্যন্ত মাংস সহ হাভিড কাটিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। ৩নং আসামী তোফায়েল প্রাণে হত্যার উদ্দেশে ডেগার দিয়া মাথায় ছেদ মারিলে আমার ভাই বাম হাত দিয়া ফিরানের চেষ্ঠা করিলে বাম হাতের মাঝের ৩টি আঙ্গুল হাড্ডি পর্যন্ত কাটিয়া বুলিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। ডাক্তার ৩টি আঙ্গুলে অপারেশনের মাধ্যমে স্টিলের পাত ডুকাইয়া সেলাইসহ বেন্ডেজ করিয়াছেন)। ১নং আসামী মৃত্যু নিশ্চিত করার লক্ষে পুনরায় আমার ভাইকে উপুড় অবস্থায় পিঠের মধ্যে চাকু দিয়া উপর্যপুরী যাই মারিয়া ৫টি স্থানে ২ ইঞ্চি পরিমান গভীর ছিদ্রযুক্ত জখম করে। ২নং আসামী শিমুল আমার ভাই জখমী আব্দুর রউফকে পুনরায় রামদা দিয়া ঘাড় লক্ষ করিয়া ছেদ মারিলে আমার ভাই ডান হাত দিয়া ফিরাইলে ডান হাতের মাঝের ২টি আঙ্গুল হাড্ডি পর্যন্ত কাটিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। আমার ভাই অজ্ঞান হইয়া গেলে এবং আমরা স্বাক্ষীগণ আমার ভাই জখমী আব্দুর রউফের কাছাকাছি চলিয়া আসিলে সমূহ আসামীগণ আমার ভাইকে মৃত ভাবিয়া আমাদেরকে অস্ত্র দিয়া প্রাণের প্রাণে হত্যার ভয় দেখাইয়া গালিগালাজ করিয়া ঘটনাস্থল থেকে চলিয়া যাওয়ার সময় ১নং আসামী নূর মোহাম্মদ আমাদেরকে বলে তোদের একটাকে খতম করলাম বাকীগুলারেও একটা একটা করে শেষ করব। এক খুন করলে যে সাজা দশটা করলেও সমান বলিয়া বীরদর্পে চলিয়া যায়। আমরা প্রথমে আমার ভাই আব্দুর রউফকে অজ্ঞান অবস্থায় তাহার নাড়িভুড়ি গামছা দিয়া বাধিয়া সিএনজি যোগে প্রথমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আমাদেরকে দ্রুত ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দিলে আমরা স্বাক্ষীগণ সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতলে নিয়া আসিয়া জরুরী বিভাগে ভর্তি করিলে ডাক্তার পরীক্ষা করিয়া প্রাণ আছে দেখিয়া আমার ভাইকে অক্সিজেন লাগাইয়া প্রয়োজনীয় অপারেশন শেষ করিয়া আইসিইউ তে প্রেরণ করে। এখন পর্যন্ত আমার ভাই জখমী আব্দুর রউফ মেডিকেলের আইসিইউ বিভাগে লাইফ সাপোর্টে আছেন। আমার ভাই আব্দুর রউফ বর্তমানে খুবই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রহিয়াছেন। বর্তমানে আব্দুর রউফ ওসমানী হাসপাতালে মৃত্যু সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর