1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান শান্তিগঞ্জে সবার জন্য প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

​বানিয়াচংয়ে টানা বৃষ্টিতে ২ হাজার ৫১০ হেক্টর জমি প্লাবিত: রোদ না থাকায় পচছে কাটা ধান

ইমরান আহমেদ চৌধুরী, বানিয়াচং (হবিগঞ্জ):
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ১৬০ বার পঠিত

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় ২ হাজার ৫১০ হেক্টর ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া আংশিক নিমজ্জিত হয়েছে আরও ১ হাজার ৩৪৫ হেক্টর জমি। গতকাল শনিবার স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ওই অঞ্চলের কৃষকরা। একদিকে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে বিঘার পর বিঘা জমির আধা-পাকা ধান, অন্যদিকে যারা আগেভাগেই ধান কেটেছিলেন, তারা পড়েছেন ধান শুকানোর সংকটে। বৃষ্টির কারণে ধান শুকানোর মাঠ (খলা) তলিয়ে যাওয়ায় এবং পর্যাপ্ত রোদ না থাকায় স্তূপ করে রাখা ধানে চারা গজিয়ে নষ্ট হচ্ছে।

​কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ বছর চাষাবাদ ও ধান কাটার খরচ গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ বেড়েছে। যেখানে গত বছর কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে প্রতি বিঘা ধান কাটতে খরচ হতো ২ হাজার টাকা, এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার টাকায়। খরচের বোঝা বাড়লেও বাজারে ধানের দাম আশানুরূপ নয়। বর্তমানে প্রতি মণ ধান ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের চেয়েও কম বলে দাবি ভুক্তভোগী কৃষকদের।

​৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের বগী গ্রামের কৃষক কবির মিয়া নিজের দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, “এ বছর ৪৫ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। ফলনও হয়েছিল চমৎকার। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ২৫ বিঘা জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। বাকি ১০ বিঘা কাটার পর খলায় পানি উঠে যাওয়ায় ধানে চারা গজিয়ে গেছে। নদীর পানি আর জমির পানি এক হয়ে যাওয়ায় পানি কমার সম্ভাবনাও খুব কম।” দিশেহারা এই কৃষক আরও জানান, সারা বছরের সংসারের খরচ আসে এই ফসল থেকে; এখন পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকাই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​স্থানীয় কৃষকরা এখন এই সংকটময় মুহূর্তে সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের যথাযথ তদারকি কামনা করছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর