1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতা সাজল আহমদের দাফন সম্পন্ন, পরিবারে শোকের মাতম সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন বিএনপি নেতা সাজলের আকস্মিক মৃত্যুতে এমপি কয়ছর আহমদ সহ বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীমঙ্গলে দস্যুতার মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

সিলেটে খুলতে যাচ্ছে পাথর কোয়ারির দুয়ার

প্রথম সিলেট ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১১১ বার পঠিত

প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে সিলেটের ভোলাগঞ্জ, জাফলং ও বিছনাকান্দিসহ অন্যান্য পাথর কোয়ারি। কোয়ারি বন্ধ থাকায় দুর্বিষহ দিন কাটছে কোয়ারি সাথে সংশ্লিষ্ট লক্ষাধিক পাথর শ্রমিকের। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এমন কারণে কোয়ারি বন্ধ থাকলেও ব্যাবসায়ীদের দাবি তিন কোয়ারি থেকে সনাতন পদ্ধতিতে পাথার উত্তোলন করতে হাইকোর্ট আদেশ দিয়েছে। আদেশ কার্যকরে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবছর উজানের ঢলের সাথে নেমে আসা বালু-পাথরে নাব্যতা হারাচ্ছে নদীগুলো। সিলেটকে আকস্মিক বন্যা থেকে রক্ষা করতে বালু-পাথর উত্তোলন প্রয়োজন। আর প্রশাসন বলছে, আদালতের সার্টিফাইড কপি আসলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২০১৮ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে পাথর উত্তোলন। এর ফলে কোয়ারি নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা থাকায় ব্যবসায়ীরা হয়ে গেছেন দেউলিয়া। শ্রমিকরা হয়ে পড়েছেন কর্মহীন। পাথর উত্তোলন করায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এমন অভিযোগ থাকলেও ব্যবসায়ীদের দাবি তিনি কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন গাইডলাইন ২০১৪ মোতাবেক সনাতন পদ্ধতিতে পাথার উত্তোলন করতে হাইকোর্ট আদেশ দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের করা আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট জাফলং (২২ অক্টোবর), বিছনাকান্দি (১১ নভেম্বর) ও ভোলাগঞ্জ (১৪ নভেম্বর) পাথার উত্তোলনের নির্দেশনা এসেছে। স্থানীয় অর্থনীতির মজুবত ভিত্তি হচ্ছে পাথর কোয়ারি। এবার সেই কোয়ারিগুলো থেকে পরিবেশ সম্মতভাবে পাথর উত্তোলনের সুযোগ করে দেয়া জরুরী বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। একই সাথে কোয়ারি চালু হলে লাখো শ্রমিক ফিরবেন তাদের কর্মে।

তবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে বালু ও পাথর উত্তোলন প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম বলেন, প্রতিবছর উজানের ঢলের সাথে নেমে আসা প্রচুর পাথর ও বালু সীমান্ত এলাকায় নদীগুলোর নাব্যতা হারাচ্ছে। যার ফলে ঢলের পানেতে সিলেটে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। সিলেটকে আকস্মিক বন্যা থেকে রক্ষা করতে বালু-পাথর উত্তোলন প্রয়োজন। তবে তা একটি নির্দিষ্ট পরিমানের সনাতন পদ্ধতিতে হতে হবে। এ বিষয়ে আমাদের বিভাগীয় কমিশনারের সাথে বৈঠক হয়েছে। নদী থেকে কতটুকু বালু-পাথর উত্তোলন করা দরকার সেটা নিয়ে আমরা পরামর্শ দিয়েছি।

সিলেট জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদ জানান, ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলনের হাইকোর্ট নির্দেশনা দিয়েছে। তবে আমাদের কাছে এখনো এমন কোন আদেশ আসেনি। আদালতের সার্টিফাইড কপি আসলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর