আরবি সপ্তম মাস হলো রজব। মাসটির পূর্ণ নাম হলো আর রজবুল মুরাজ্জাব। রজব অর্থ প্রাচুর্যময় আর মুরাজ্জাব অর্থ সম্মানিত। আর রজবুল মুরাজ্জাব মানে হলো প্রাচুর্যময় সম্মানিত মাস। রজব মাস রমজানের
নম্রতা আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত। নবীজি (সা.) তার এই গুণের মাধ্যমে মানুষকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতের কারণে তুমি তাদের জন্য নম্র
জুমার দিন পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে গোসল করে মসজিদে গিয়ে উত্তমরূপে জুমার নামাজ আদায় অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। এ আমলে সওয়াব লাভ হওয়ায় পাশাপাশি পূর্ববর্তী জুমা পর্যন্ত গুনাহও মাফ হয়ে যায়। আল্লাহর রাসুল
কাবার আশেপাশে নামাজ বা তাওয়াফ শেষে কাবার দিকে পিঠ দিয়ে স্বাভাবিকভাবে বের হওয়া যাবে। অনেকে এভাবে বের হওয়াকে আদবের খেলাফ মনে করেন এবং কাবার দিকে পিঠ না দিয়ে পেছন দিকে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যান্সারবিষয়ক গবেষণা বিভাগ ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের তথ্য মতে, যখন সূর্যের আলো থাকে না তখন শরীরকে কাজ করতে বাধ্য করা বা জাগিয়ে রাখা শরীরে মেলাটনিন
হুফফাজ কল্যাণ সোসাইটি সিলেট বাংলাদেশ এর উদ্যোগে মাওলানা কাজী আব্দুল হক (রহ.) স্বরণে বিভাগীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা, প্রবীণ হিফজ শিক্ষক সন্মাননা, কৃতী ছাত্র সংবর্ধনা ও জাতীয় ক্বিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামের বিধান শুধু নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত তথা ইবাদত-বন্দেগির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এছাড়াও দুনিয়ার প্রতিটি কাজের সঙ্গেই জড়িত রয়েছে ইবাদত-বন্দেগি ও ইসলামের রীতিনীতি। ইসলামি পদ্ধতিতে যে কাজ করা হবে তার
মুমিন সাধারণত বিপদ-আপদ থেকে মুক্তির জন্য সৃষ্টিকর্তার দরবারে দুহাত তুলে দোয়া করে থাকেন। এ ছাড়া কোনোকিছুর প্রয়োজন হলেও তার কাছে চান। কেননা দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তার বন্দার ইচ্ছে পূরণ করে
রাসূল সা. রজব মাস থেকেই রমজান মাসকে স্মরণ করতেন এবং এ মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি নিতে শুরু করতেন। এখানে হাদিসের আলোকে রমজানের প্রস্তুতিমূলক তিনটি আমল তুলে ধরা হলো— আইয়ামে বিজের
হজরত আবু সাঈদ খুদরি ও আবু হুরায়রা রা. নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সূত্রে বর্ণনা করেছেন,তিনি বলেছেন— কোন আহ্বানকারী জান্নাতি লোকেদেরকে আহ্বান করে বলবে, তোমরা এখানে সব সময় সুস্থ থাকবে,