এমন অনেক গুনাহ আছে যেগুলো করলে শুধু একটি গুনাহ হয়, কোনো নেক আমল নষ্ট হয় না। যেমন—মিথ্যা বলা, চুরি করা, ঘুষ খাওয়া ইত্যাদি। কিন্তু এমন একটি গুনাহ আছে, যেটা করার
ইসলামী জনপ্রিয় আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারী সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। দেশে ফিরেই কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা সদরে তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে অংশগ্রহণ করেছেন। মাহফিলে আলোচনাকালে তিনি বলেছেন, দেশে শান্তিপূর্ণ বসবাসের জন্য জাতীয়
একজন মুসলিমকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধর্মীয় বিধান পালনে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে তাবলীগ জামাত। তাবলীগ জামাত মূলত মুসলমানদের মাঝেই ধর্মীয় বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে। যারা নামাজ, রোজা এবং এ
রবের সঙ্গে একান্তে কথা বলার অন্যতম মুহূর্ত নামাজ। নামাজ বান্দা ও আল্লাহ তায়ালার মাঝে এক ধরনের বন্ধন তৈরি করে। নামাজের সময় মানুষ যতটা আল্লাহর নিকটবর্তী থাকে অন্য কোনো সময়ে এতোটা
শীতের মওসুম একজন ঈমানদারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা একে ইবাদতের উপযুক্ত মওসুম বা ইবাদতের বসন্তকাল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ জন্য শীতের মওসুমকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য প্রতিটি মুমিনের চেষ্টা
আল্লাহর বড়োত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশিত করতে যে-সব নামে ডাকা হয় সেগুলোকে বলে ইসমে আজম। এই দুই শব্দের মধ্যে ‘ইসম’ অর্থ হলো নাম আর ‘আজম’ অর্থ মহান বা শ্রেষ্ঠ। আল্লাহকে ডাকার
রাসুলুল্লাহ (সা.) তার জীবদ্দশায় আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের গোত্রগুলোর এবং শামের বিরুদ্ধে বিজয় লাভের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। কিন্তু তার জীবদ্দশায় এর খুব সামান্যই বিজয় লাভ করা সম্ভব হয়েছিল। অষ্টম হিজরিতে
মুমিনের জীবনের প্রত্যেকটি কাজই ইবাদতের অংশ। একজন মুমিন আল্লাহর স্মরণ-জিকির ও তার বিধান মোতাবেক জীবন পরিচালনা করে থাকেন। মুমিনের জন্য ঘুমও একটি ইবাদত। ঘুমাতে যাওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল রাসুল
মানুষের জীবনে সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি। কখনও কখনও আল্লাহ তায়ালা মানুষকে বিপদ ফেলে পরীক্ষা করে থাকেন এবং তার দিকে ফেরানোর চেষ্টা করেন। এমন পরিস্থিতিতে আল্লাহর ওপর ভরসা করা
ধোঁকা মুনাফেকের স্বভাব। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে কারিমে প্রতারণার জন্য কঠিন শাস্তির কথা বলেছেন। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সময় মুনাফেকরা মুখে বলতো আমরা আল্লাহকে, আল্লাহর নবীকে এবং এই কোরআনকে মানি কিন্তু তারা