1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
লাখাইয়ে নির্মাণাধীন মসজিদে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু শান্তিগঞ্জে ঐতিহাসিক নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে তবলীগ জামাতের মুসল্লীদের নগদ অর্থ ও মোবাইল চুরি-থানায় অভিযোগ দায়ের শ্রীমঙ্গল নতুন বাজারে সাপ দেখে আতঙ্ক, পরে উদ্ধার লাখাই উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন। সভাপতি পারভেজ/ সম্পাদক মনি শান্তিগঞ্জে নৌকাবাইচ নিয়ে দ্বন্দ্বের অবসান, আগামীকাল শখের নৌকাবাইচ শান্তিগঞ্জে ডেকোরেটার্স মালিক সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন শান্তিগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা পদক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পুরস্কৃত লাখাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রান্তিক মানুষের কথা শুনবে সরকার, শ্রীমঙ্গলে নাগরিক-সরকার রিপোর্টিং নিয়ে কর্মশালা

মহালদিক হাওরে সরকারি পতিত ভূমিতে দীঘি খনন: প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি

প্রথম সিলেট ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৭৭ বার পঠিত

সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়নের মহালদিক গ্রামের হাওরে রয়েছে বেশ কয়েক শতক সরকারি পতিত ভূমি ও জলাশয়। কিন্তু দখলদারিত্বের শিকার এসব পতিত ভূমি।

প্রভাবশালীরা দীঘি খনন করে নিজের দখলে নিয়েছেন কয়েক একর সরকারি ভূমি। এসব সরকারি ভূমিতে স্থাপন করা হচ্ছে পোল্ট্রি ফার্ম। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। এতে হুমকির মুখে পড়েছে বিলুপ্তপ্রায় মুর্তাবন, জীববৈচিত্র্য ও গোচারণ ভূমির। গত ২৫ নভেম্বর সরকারি ভূমি উদ্ধার করতে সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন স্থানীয়রা স্থানীয়রা।

 

মহালদিক গ্রামের যুবক মামুন আল রশিদ বলেন, “বছর পাঁচেক আগে আমাদের গ্রামের হাওরে মুহিবুর রহমান নামক জনৈক ব্যক্তি কর্তৃক ব্যক্তি মালিকানাধীন কিছু জমিতে কয়েকটি দিঘী খনন করা হয়। স্থানীয় একে প্রফেসারের ফিশারি নামে চেনেন। এরপর থেকে প্রতি বছর দীঘিগুলোর পাশ্ববর্তী সরকারি পতিত ভূমিতেও দীঘি খনন করা শুরু করেন। এতে বেশ কয়েক শতক সরকারি পতিত ভূমি আজ দীঘি গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। যার দরুন এলাকায় স্থানীয় কৃষিজীবী মানুষদের গোচারণভূমির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”

 

একই এলাকার আনছার মিয়া বলেন, “সরকারি পতিত ভূমিতে দিঘীগুলো খননের পর থেকে স্থানীয় কৃষিজীবী মানুষজনের হাওরে চলাচলের রাস্তা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে, গোচারণ ভূমির অভাব দেখা দিয়েছে এমনকি সরকারি খাস খতিয়ান ভুক্ত পাশ্ববর্তী আন্দুয়া বিল সংকুচিত হয়েছে। এতে বাধ্য হয়ে অনেক স্থানীয় কৃষক নিজের পালিত গবাদিপশু হাটে বিক্রি করে দিয়েছেন। আমরা স্থানীয় কৃষিজীবী মানুষরা আমাদের হাওরের পতিত ভূমি জবরদখল থেকে মুক্ত করতে চাই।” তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাই।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর