দলের নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা: যুবদল সভাপতি
প্রথম সিলেট ডেস্কঃ
প্রকাশের সময় :
বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪
২৮০
বার পঠিত
দলের নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা: যুবদল সভাপতি
জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, দলের নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে মাগুরা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। মোনায়েম মুন্না বলেন, মানুষের ওপর কোনো অন্যায়-অত্যাচার করা যাবে না। বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ যেমনটি মানুষের সঙ্গে করেছে। সে সব কর্মকাণ্ড মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সে অবস্থান নিয়েছে। তাই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে দলের কোনো নেতা-কর্মীকে ছাড় দেয়া হবে না। অনুষ্ঠিত সভায়...
জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, দলের নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে মাগুরা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
মোনায়েম মুন্না বলেন, মানুষের ওপর কোনো অন্যায়-অত্যাচার করা যাবে না। বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ যেমনটি মানুষের সঙ্গে করেছে। সে সব কর্মকাণ্ড মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সে অবস্থান নিয়েছে। তাই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে দলের কোনো নেতা-কর্মীকে ছাড় দেয়া হবে না।
অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন। সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান।
সঞ্চালনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা ও তার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা যুবদল, সেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলের নেতারা।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) এলাকায় বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. নুরুল হক নুরকে সহযোগিতা করতে বিএনপির নেতা–কর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এমন একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। যদিও ওই আসনে ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছেন গোলাম মাওলা রনি। এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
বিষয়টি নিয়ে সোমবার (২৮ অক্টোবর) সাবেক এমপি গোলাম মাওলা রনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেছেন! মতামত বা মন্তব্য জানতে চেয়েছেন। বাস্তবতা হলো – বিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না, আর এটা নিয়ে আমার কোনো প্রতিক্রিয়াও নেই।’ জনাব রুহুল কবির রিজভী যা করেন তা সবই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে করেন। আর জনাব তারেক রহমান যা করেন তা নিজের ইচ্ছায় স্বাধীন ভাবে করেন।’
তিনি আরও লিখেন, ‘নুরুল হক নুরু দীর্ঘদিন থেকেই জনাব তারেক রহমানের প্রিয়জন এবং বিশ্বস্ত ব্যাক্তি।
জনাব নুরু গোপনে এবং প্রকাশ্যে বিএনপির জন্য অনেক ঝুঁকি নিয়েছেন। বিএনপি একটি কৃতজ্ঞ দল এবং জনাব তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতাবোধ সর্বজনবিদিত। সুতরাং তিনি যদি তার দুঃসময়ের সহযোদ্ধা এবং একান্ত অনুগত ও বিশ্বস্ত মানুষকে কোনো কিছু দিতে চান তা অবশ্যই প্রশংসনীয়।’
তবে এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, ভিপি নুরকে সভা-সমাবেশ করতে সহযোগিতার জন্য বলা হয়েছে। যাতে তার নিরাপত্তার বিঘ্নিত না ঘটে। সভায় যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, তাই এই চিঠি। এ আসন বিএনপি তাকে ছেড়ে দেবে এরকম কিছু নয়।