
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন (৩৭) ও সাধারণ সম্পাদক আল আমিন খান (৩৪) সহ ১৮জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে নাশকতার প্রস্তুতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় শুক্রবার (৬ডিসেম্বর) গভীর রাতে ধর্মপাশা থানায় একটি মামলা হয়েছে। থানার এসআই হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি করেছেন।
এ ঘটনায় নিষিদ্ধ সংগঠনটির উপজেলা শাখার সহ সভাপতি ও উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের বাসিন্দা গোলাম মহি উদ্দিন ফরহাদ (৩৭) কে ওইদিন রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলা সদরের বিজয়-২৪ চত্বর এলাকার একটি চায়ের স্টল সংলগ্ন কক্ষ থেকে আটক করেছে পুলিশ।
ধর্মপাশা থানা পুলিশ জানায়, উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিজয়-২৪ চত্বর এলাকার একটি চায়ের স্টলের পেছনের একটি কক্ষে শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিষিদ্ধ সংগঠন ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সংগঠনটির ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী জড়ো হন। তাঁরা সেখানে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম ব্যাহত করার মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তাঘাট, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে রাত পৌনে ১১টার দিকে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনটির নেতা কর্মীরা সেখান থেকে দৌড়ে পালানোর সময় সংগঠনটির উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি গোলাম মহি উদ্দিন ফরহাদকে আটক করা হয়।
তবে আটক গোলাম মহিউদ্দিন ফরহাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদ পদবীতে থাকা ১৮জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। আটক থাকা গোলাম মহি উদ্দিন ফরহাদকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।