
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের সুরমা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
গত ২৯ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর এমন অভিযোগ দাখিল করেন গাজীনগর গ্রামের শওকত আলী, আক্কাস আলী, মোহাম্মদ আলী ও জিয়াউর রহমান গংরা৷
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রিন্সিপাল আমিনুল ইসলাম কর্তৃক দাখিলকৃত সুরমা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের কার্যকরী কমিটি- ২০২৪ যথার্থ হয়নি ৷ কমিটি পূর্ণগঠনে প্রিন্সিপাল এককভাবে সম্পৃক্ত, সাধারণ অভিভাবকদের মত বহির্ভূত। শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ বানিজ্য ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এলাকা প্রদত্ত জলমহাল নিলামে লক্ষ লক্ষ টাকার লাগামহীন দুর্নীতি করছেন। এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষার ফরম ফিলআপ, ভর্তি বানিজ্য ও লাগামহীন দূর্নীতি, ফরম ফিল-আপ এ কোচিং সুবিধা দেখিয়ে মাথাপিছু ফি বাবদ ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা আদায় এবং ৬ষ্ঠ-৯ম শ্রেণিতে ভর্তিতে মাথাপিছু ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করছেন যা আয়বহির্ভূত।
তিনি উপবৃত্তি প্রদানে স্বজনপ্রীতি এবং দরিদ্র ও নিরীহ শিক্ষার্থীদেরকে তা থেকে বঞ্চিত করেছেন ৷ গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির মাসিক সমন্বয় সভায় সদস্য প্রতি উপঢৌকন বাবদ ৩শ থেকে ৫শ টাকা নিচ্ছেন। গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্টাইপেন্ড বা বৃত্তির সুবিধা নেই। পাঠদানের যথার্থ সময়ে প্রাইভেট ও কোচিং বানিজ্য বাস্তবায়ন করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিধি বহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত ফি আদায় করেছেন ৷
এসব বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আকুল আবেদন জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা৷
অভিযোগের ব্যাপারে সুরমা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার উপর আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট৷ আমি কোন অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত না৷
অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) বিরোদা রানী রায় বলেন, অভিযোগ পেয়েছি৷ তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে৷