
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা যৌথবাহিনীতে হাতে আটক জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মহসিন মিয়া মধু জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল ) বিকালে মৌলভীবাজার জেলা কারাগার থেকে বের হলে স্থানীয় নেতা কর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন এবং পরে তাদের নিয়ে শ্রীমঙ্গলস্থ নিজ বাস ভবন মহসিন নিবাসে ফিরেন।
এর আগে দুপুরে মৌলভীবাজার বিশেষ আদালতের বিচারক তার শর্ত সাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ৩০ মার্চ রাতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা বিএনপির ওই ও সাবেক মেয়র মহসিন মিয়া মধু, ছেলে মুরাদ হোসেন সুমন, চাচাতো ভাই মো, সেলিম মিয়াসহ তাঁর পক্ষের ১৩ জনকে আটক করে।
পরে দিন রবিবার ওই সংঘর্ষের গাড়ী ভাংচুর, আহত করা ও টাকা লুঠের ঘটনায় আহত শ্রমিক নেতা সাগর ভূইয়া মা আকলিমা বেগম বাদী হয়ে মহসিন মিয়া মধুসহ আটকৃতসহ ১৬ জনের নামাল্লেখ করে ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করলে পুলিশ ওই মামলায় তাদের সবাইকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
এর আগে মেয়রের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে তাকে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন মৌলভীবাজার জেলা আহবাহয়ক ফয়জুল করিম ময়ূন, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন, বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট আবেদ রাজা তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্য ফেইসবুকে সাবেক মেয়র মহসিন মিয়ার গ্রেপ্তারে নিন্দা জানিয়ে তাকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান।
এছাড়াও সাবেক মেয়রের মুক্তির দাবি জানান শ্রীমঙ্গল স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. আশরাফ উদ্দীন জাহাঙ্গীর ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির তালুকদার, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান জরিফ ও যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আবুল মঈন গোফরান তারেক। এছাড়াও বিএনপি নেতা মহসিন মিয়া মধু আটকের নিন্দা ও তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপি ও দলের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।