1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি গুরুতর আহত কুরিয়ারে পাঠানোর আগেই ধরা পড়ল ১ লাখ শলাকা অবৈধ সিগারেট শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীরে শতবর্ষী রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনায় ১২ ফুটের অজগর, দেখতে ভিড় মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে তাহিরপুর উপজেলার ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক লাখাইয়ে নির্মাণাধীন মসজিদে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু শান্তিগঞ্জে ঐতিহাসিক নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে তবলীগ জামাতের মুসল্লীদের নগদ অর্থ ও মোবাইল চুরি-থানায় অভিযোগ দায়ের শ্রীমঙ্গল নতুন বাজারে সাপ দেখে আতঙ্ক, পরে উদ্ধার

ইনজেকশনের পর মৃত শিশু প্রসব, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

সাইদ, উখিয়া প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১০৪ বার পঠিত

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের কোটবাজারে অবস্থিত অরিজিন হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় ৭ মাসের গর্ভবতী নারী মৃত শিশুর জন্ম দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী গর্ভবতী রহিমা আক্তার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মনি মার্কেট এলাকার মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী।

ভুক্তভোগীর স্বামী মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, “সকালে বুকে ব্যথা অনুভব করলে আমার স্ত্রীকে কোটবাজার অরিজিন হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফুর জামান কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই ব্যথার ইনজেকশন দেন। ইনজেকশন দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই আমার স্ত্রী দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মৃত শিশুর প্রসব করেন। এরপর ডাক্তার আরিফুর জামান হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যান।”

পরে আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট গাইনী চিকিৎসক রুমি দেখলে তিনি জানান, সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং ইনজেকশনের প্রতিক্রিয়াতেই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে অরিজিন হাসপাতালের পরিচালক শাহ নেওয়াজ বলেন, “ঘটনার সময় আমি পারিবারিক কারণে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলাম না। নার্স ও চিকিৎসকদের মাধ্যমে জেনেছি, একজন গর্ভবতী নারী বুকে ব্যথা নিয়ে আসেন। ডাক্তার তাকে রেফার করার পরও তিনি হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। রোগীর কথার ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং চিকিৎসার মাঝেই মৃত শিশুর প্রসব হয়। পরে গাইনি চিকিৎসক এসে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।”

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসেইন জানান, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ হাসপাতালে যায়। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর