1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি গুরুতর আহত কুরিয়ারে পাঠানোর আগেই ধরা পড়ল ১ লাখ শলাকা অবৈধ সিগারেট শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীরে শতবর্ষী রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনায় ১২ ফুটের অজগর, দেখতে ভিড় মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে তাহিরপুর উপজেলার ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক লাখাইয়ে নির্মাণাধীন মসজিদে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু শান্তিগঞ্জে ঐতিহাসিক নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে তবলীগ জামাতের মুসল্লীদের নগদ অর্থ ও মোবাইল চুরি-থানায় অভিযোগ দায়ের শ্রীমঙ্গল নতুন বাজারে সাপ দেখে আতঙ্ক, পরে উদ্ধার

আলোচিত ইউএনও’র টাকার খামের নেপথ্যে যা জানা গেল

প্রথম সিলেট ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫
  • ৪২২ বার পঠিত
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের সভাপতিদের পাশ কাটিয়ে নিজের মনোনীত ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং দায়িত্ব বঞ্চিত ইউপি সদস্যদের ‘মুখ বন্ধ’ রাখতে টাকার খাম ‘উপহার’ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও দয়ারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হা-মীম তাবাসসুম প্রভার বিরুদ্ধে।
সরকারি বিধি অনুযায়ী টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের এসব অর্থ সভাপতির তত্ত্বাবধানে ব্যয় করার কথা থাকলেও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে এমন বিতর্কিত এবং নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
বাগাতিপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (পিআইও) সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দয়ারামপুর ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে টিআরের বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ হয়েছে ২৭ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৭ টাকা। এ ছাড়া কাবিটার ১১টি প্রকল্পের জন্য ৩০ লাখ ৮৭ হাজার ৭৮২ টাকা, কাবিখার ৩টি প্রকল্পে ১৬ দশমিক ৬৮ মেট্রিক টন চাল এবং অপর ৩টি প্রকল্পে ১৮ দশমিক ৬ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেয়া হয়।
টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের এসব অর্থ প্রকল্প সভাপতির তত্ত্বাবধানে ও সরাসরি জন-সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে ব্যয় হওয়ার কথা। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইউএনও নিজেই প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ নেন। কেনাকাটা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন সবই করেন তার পছন্দের লোক দিয়ে। প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনাতে দেখা দেয় স্বচ্ছতার অভাব।
৪ নং দয়ারামপুর ইউনিয়নের একাধিক ইউপি সদস্য জানান, কাগজে কলমে নাম মাত্র সভাপতি রাখা হলেও প্রকল্পের কাজ করেছেন ইউএনও। স্বাক্ষর নিয়ে প্রকল্পের টাকাও তুলে নিয়েছে ইউএনও অফিস থেকে। দায়িত্ব বঞ্চিত সভাপতিদের খুশি রাখতে টাকার খাম ‘উপহার’ দেয়া হয়েছে বলে জানান তারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইউপি সদস্য জানান, প্রকল্পগুলো সবই ইউএনও স্যার তার লোক দিয়ে বাস্তবায়ন করছেন। আমরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হলেও আমাদের কোনো কাজ নেই। স্যার কাজ করে সেখান থেকে কিছু টাকা ঈদের আগে আমাদের দিয়েছেন। আমার একটি প্রকল্প থাকায় আমার খামে ১৫ হাজার টাকা ছিলো। যাদের বেশি প্রকল্প তাদের টাকার পরিমাণও বেশি।
ইউএনও’র কাছ থেকে টাকার খাম পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে আরেক ইউপি সদস্য (১নং ওয়ার্ড) ও তিনটি প্রকল্পের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঈদের আগে কাজ হওয়া প্রকল্পগুলোর থেকে কিছু টাকা ইউএনও’র কাছ থেকে পেয়েছেন। কাজ শেষে সব হিসাব সম্পূর্ণ হলে আরও টাকা পাবেন বলে আশা এই ইউপি সদস্যের।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মাহাবুব হোসেন বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এমন অনিয়ম অপ্রত্যাশিত। দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। সেই সঙ্গে ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ৪ নং দয়ারামপুর ইউপি প্রশাসক হা-মীম তাবাসসুম প্রভা বলেন, কাজ না করতে পারলে মেম্বাররা সভাপতি হিসেবে স্বাক্ষর করছে কেন? মেম্বারদের যদি অভিযোগ থাকে সেটা তারা আমাকে বলবে। তবে, টাকার খাম দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
সূত্র: চ্যানেল 24.
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর