
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা বোরহান উদ্দিন এখন জাসাসের নেতাদের সাথে ছিল নিয়মিত ওঠাবসা। নিজের এলাকায় দাঁপিয়ে বেড়াতেন জাসাসের পরিচয়ে। তবে এখন জাসাসের নেতা পরিচয়ে চলাফেরা করেন। সম্প্রতি গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভোল পাল্টে তিনি হয়ে গেছেন জাসাসের নেতা। বলছি গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা বুরহান উদ্দিনের কথা। তিনি এখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জাসাস গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার আগামী কমিটিতে স্থান পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তিনি বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে সকল দলীয় সকল প্রোগরামে অংশগ্রহন করত। এমন কি কানাডা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সরওয়ার হোসেনের পক্ষে সরাসরি বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের অধীনে অবৈধ পাতানো ডামি জীতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামিলীগের হয়ে মাঠে কাজ করেছে। বিগত জুলাই আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে অবৈধ ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে খোলস পাল্টায় তিনি।
এলাকার স্থানীয় বিএনপি নেতারা মন্তব্য করতেছেন আওয়ামীলীগ নেতা বোরহান উদ্দিনের মত আওয়ামীলীগ নেতা যদি জাসাসের কমিটিতে স্থান পায় তাহলে গোলাপগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের বিএনপি নেত্রীবৃন্দ প্রশ্ন বিদ্ধ হবেন। স্থানীয় এলাকার বিএনপি নেত্রীবৃন্দের একটাই দাবী আওয়ামীলীগ নেতা বোরহান যেন জাসাসের কমিটিতে যেন না পায়। দুসময়ে যারা জেল জুলুম হামলা মামলার শিকার হয়েছে তাদেরকে যেনো মুল্যায়ন করা হয় এটাই স্থানীয় নেতৃবৃন্দে প্রত্যাশা।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পরের দিন কয়েকজন জাসাসের কর্মীকে সাথে মিলমিশে আর্থিক সুবিধা নিতে থাকেন এই নেতা। নিজেকে জাসাসের নেতা দাবি করলেও তার আশেপাশের সবাই একসময়ের আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্তরা। সে আওয়ামী লীগের লোক।