
উপজেলা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ঘুষ দাবি করলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিটর শফিউল বাশার ও এমএলএস জাকির হোসেন। আর এবিষয়ে প্রতিকার চাইলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নাই বলে জানান উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা সৈয়দ কামরুজ্জামান।
তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়ে দিব বলে জানান তিনি। পরে বাধ্য হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভূক্তভোগী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ কে এম এ হাদী।
আর অভিযুক্ত শফিউল বাশার জানান- আমি স্থানীয় লোক, এছাড়া পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে আমি চিনি না।
উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগে একেএমএ হাদী উল্লেখ করেন – নিজের জরুরী প্রয়োজনে জিপিএফ তহবিল হতে ২য় অফেরৎ যোগ্য অগ্রিম হিসেবে তিন লক্ষ টাকা উত্তোলনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মঞ্জুরী জ্ঞাপন সাপেক্ষে চলতি বছর ৩১ আগস্ট আপনার দপ্তরে বিল দাখিল করি। ১ সেপ্টেম্বর দাখিলকৃত বিলটি পাস হয়। পরে আমার অফিসের পরিবার পরিকল্পনা সহকারী মুহিবুর রহমান ও দীনবন্ধু দাস আমাকে জানান- হিসাব রক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিটর শফিউল বাশার ও এমএলএস জাকির হোসেন উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা সৈয়দ কামরুজ্জামানের বরাত দিয়ে টাকা দাবি করছেন।
বিষয়টি জানার পর আপনাকে অবগত করলে আপনার উত্তরে আমি সন্তোষ্ট না হওয়ায় আপনি বলেন- তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার আমার নাই, তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়ে দিব। সেই প্রেক্ষিতে আপনার অফিস ও বর্ণিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার দৃষ্টতা প্রর্দশনের প্রতিকার চেয়ে আপনার মাধ্যমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শফিউল বাশার সময়ের আলোকে জানান- আমি এখানকার স্থানীয় লোক, এছাড়া পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে আমি চিনি না।
উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা সৈয়দ কামরুজ্জামানের যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার সাড়া পাওয়া যায় নাই।
এবিষয়ে জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে না পাওয়ায় সুপারিন্টেন্ডেন্ট (এসএএস সুপার) শেখ মোঃ মঈন উদ্দিন সময়ের আলোকে জানান, লিখিত অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি আমি অবগত নই, তবে অফিসে গিয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।