1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি গুরুতর আহত কুরিয়ারে পাঠানোর আগেই ধরা পড়ল ১ লাখ শলাকা অবৈধ সিগারেট শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীরে শতবর্ষী রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনায় ১২ ফুটের অজগর, দেখতে ভিড় মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে তাহিরপুর উপজেলার ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক লাখাইয়ে নির্মাণাধীন মসজিদে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু শান্তিগঞ্জে ঐতিহাসিক নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে তবলীগ জামাতের মুসল্লীদের নগদ অর্থ ও মোবাইল চুরি-থানায় অভিযোগ দায়ের শ্রীমঙ্গল নতুন বাজারে সাপ দেখে আতঙ্ক, পরে উদ্ধার

যাদুকাটা নদী রক্ষায় ইজারাদারের সংবাদ সম্মেলন

রাজু আহমেদ রমজান
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৭ বার পঠিত

 

সীমান্ত নদী যাদুকাটা বালু মহালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও নদীর পাড় কাটা বন্ধসহ অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইজারাদার নাসির মিয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা শহরের একটি রেস্টুরেন্টের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে নাসির মিয়া বলেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গত ২০ ফেব্রুয়ারী তিনি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন। পরে আইনি জটিলতার কারণে মহামান্য হাইকোর্ট থেকে বালু মহাল স্থগিত করা হয়। একপর্যায়ে প্রায় ৫ মাস পর আদালত মামলার রায় প্রদান করলে সরকারকে ১০৭ কোটি টাকা রাজস্ব প্রদান করে বৈধভাবে বালু উত্তোলনের অনুমতি পান। এরপর থেকে প্রতিপক্ষের হুমকি, মিথ্যা মামলা-হামলার কারণে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন নাসির মিয়া। তার দাবি, যাদুকাটা-১ ও দুই মহাল নিয়ে আমরা বৈধ ইজারাদার হিসেবে আদালত ও প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। কিন্তু একটি চক্র গত কয়েকদিন আগে রাতের অন্ধকারে মব সৃষ্টি করে নদীর পাড় কেটে বালু লুট করে। অন্যদিকে পুরনো ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে একটি চক্র।

তিনি জানান, জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও বিজিবির সহায়তায় বর্তমানে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাড় কাটা বন্ধ রয়েছে। তারা চারশ থেকে ৫শ স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে নদীর পাড়ে বাঁশের বেড়া দিয়েছেন যেন কোন নৌকা বা ড্রেজার নদীর তীরে ভিড়তে না পারে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সনাতনী পদ্ধতিতে শ্রমিকের মাধ্যমে নদীর মধ্য থেকে বালু উত্তোলন করছি বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি- আমরা বৈধভাবে সরকারের রাজস্ব প্রদান করে কাজ করছি। অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত নই।

নাসির মিয়া বলেন, লাউড়গড় বাজার সংলগ্ন স্থানে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। আমরা চাই প্রশাসনের উপস্থিতিতে নদী রক্ষা হোক। কোন চক্র যেন অবৈধভাবে নদী লুট করতে না পারে। নাসির মিয়া সাধারণ শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বৈধ স্থান ছাড়া কোথাও বালু উত্তোলন না করতে। অবৈধভাবে উত্তোলনকারীদের দায়ভার ইজারাদার নেবে না, বরং আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে এমন সতর্কবার্তা দেন ইজারাদার নাসির মিয়া।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর