
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি মোঃ ফজলুল হক ওরফে সেকেন্ড শাহ (৬০) গত শুক্রবার (২৪অক্টোবর) সকাল ১১টার সময় মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন)। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হলিদাকান্দা দক্ষিণপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ির বাসিন্দা মরহুম মামোদ হোসেন সাহেবের দ্বিতীয় ছেলে এবং উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী সাহেবের চাচাতো ছোট ভাই। মৃত্যু কালে তিনি এক স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানা যায়, উপজেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি মোঃ ফজলুল হক ওরফে সেকেন্ড শাহ গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে ধর্মপাশা উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে থাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সকাল ১১টার সময় পথিমধ্যে তিনি মারা গেছেন। তিনি অসুস্থ হওয়ার এক ঘন্টা পূর্বে তার স্ত্রী ও ছেলেকে ডেকে বলেন আমার সময় শেষ আমি থাকবো না। এমনকি নিজ কবিরের স্থানও দেখিয়ে গেছেন। বিকেল ৫টার সময় তার নিজ বাড়িতে জানাজার নামাজ শেষে তার দেখানো স্থানেই বাড়ির ওঠানে শেষ দাফন করা হয়। তিনি স্থানীয় টিপু শাহ পীরের একনিষ্ঠ মুরিদ ও ভক্ত ছিলেন।
তার জানাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম রহমতের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল মোতালিব খান, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল হক, যুগ্ম আহবায়ক নুরুল ইসলাম বিএসসি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সাইফুল ইসলাম কামাল চৌধুরী, বিএনপি নেতা ডাঃ রুহুল আমিন, উপজেলা যুব দলের আহবায়ক শওকত আলী ব্যাপারী, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ফারুক আহমেদ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান জুবায়ের পাশা হিমু, শাহ আলী আকবর, ইয়ার খান রেজভী, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শফিকুল ইসলাম রাজ ও নিহত ফজলুল হক এর ছেলে ফারুক আহমেদ প্রমুখ।