
সিলেটের জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের পৃথক দুইটি অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধভাবে আনা কম্বল, চকলেট ও প্রসাধনীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় একজন আসামি কৌশলে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টায় জৈন্তাপুর মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) লিটন চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সিলেট তামাবিল মহাসড়কের মাস্তিংহাটি এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে একটি পর্যটকবাহী বাস (রেজি: ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৭৩৭০) তল্লাশি করে।
এ সময় নরসিংদী জেলার মনোহদী থানার মনোহদী গ্রামের মো. কাজল মিয়ার ছেলে আল-আমিন (৩৩) কে আটক করা হয়। তার হেফাজত থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৭২ পিস ভারতীয় কম্বল উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জৈন্তাপুর মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) বিদ্যুৎ পুরকায়স্থের নেতৃত্বে থানার সম্মুখস্থ সিলেট–তামাবিল মহাসড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় একটি পর্যটকবাহী বাস (রেজি: ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৯১৯৩) তল্লাশি করে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার মুলাইদ গ্রামের আবুল মনসুরের ছেলে মো. সিয়াম (১৯) কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে অপর এক আসামি পালিয়ে যায়।
আটককৃতের কাছ থেকে কিটক্যাট ৪ ফিঙ্গার চকলেট ৩৫০ পিস, কিটক্যাট ৩ ফিঙ্গার চকলেট ৪৫০ পিস, বিনজো চকলেট ৯০ প্যাকেট এবং কাভেরী মেহেদী ৯৫ বক্স উদ্ধার করা হয়।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, পৃথক দুইটি অভিযানে আটক দুইজন ও পলাতক একজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আটককৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।