
বানিয়াচং উপজেলায় সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের জমিতে অবৈধভাবে পাকা ঘর নির্মাণ এবং কালভার্টের মুখ বাঁধ দিয়ে পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে বানিয়াচং উপজেলার মোহাম্মদপুর মৌজার নন্দীপাড়া সাত মহল্লার ছান্দ সর্দার হাজী মো. মোতাব্বির হোসেন, ছান্দের সহ-সভাপতি শেখ আবুল বাশার সুয়েম, সহ-সভাপতি মো. মুছা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মুছা মিয়া মাস্টারসহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণের পক্ষে চারজনকে অভিযুক্ত করে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার ১নং উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের অন্তর্গত দরগাহ মহল্লার মৃত আঃ নূর মিয়ার ছেলে নেরজান উল্লাহ এবং তার ছেলে তাজ উদ্দিন, মনির উদ্দিন ও নাইম মিয়া গোপনে সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের জমির ওপর পাকা ঘর নির্মাণ করেন। একই সঙ্গে তারা কালভার্টের মুখে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে মাছ চাষ শুরু করেন।
এর ফলে স্বাভাবিক পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে শত শত কৃষকের ফসলি জমি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি এলাকাবাসীর জীবনযাত্রাও চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে বানিয়াচং–নবীগঞ্জ সড়কের কালিদেশটেকা সংলগ্ন দুই পাশের হাজার হাজার একর কৃষিজমি দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতার আশঙ্কায় পড়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় অবিলম্বে খাস জমিতে নির্মিত অবৈধ পাকা ঘর উচ্ছেদ, কালভার্টের মুখে দেওয়া বাঁধ অপসারণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা বেগম সাথী জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ পাঠিয়ে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের আজ বৃহস্পতিবার ইউএনও কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।