
লাখাইয়ে প্রতি কেজি মিষ্টিজত দ্রব্য ক্রয় করে কেজি প্রতি ২শত ৫০গ্রাম ঠকছেন ক্রেতা। মিষ্টির দোকান গুলোতে মিষ্টির প্যাকেটের ওজন কমপক্ষে ২৫০গ্রাম হওয়াতে এমন প্রতারনার শিকার প্রতিনিয়ত হচ্ছেন ক্রেতা। ফলে একজন ক্রেতা মিষ্টি কেনার আগেই ঠকছেন কেজিতে ৪ ভাগের এক ভাগ। এছাড়াও মিষ্টিজান দ্রব্য তৈরীর ও গোদাম গুলোতে হরহামেশাই খাদ্য তৈরী হচ্ছে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপদানের সংমিশ্রনে। গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে উপজেলার বুল্লাবাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর হবিগঞ্জের সহকারী পরিচালক শ্যামল পুরকায়স্থ তিনটি মিষ্টির দোকানে অভিযানে নজরে আসে ভয়ংকর দৃশ্য, এসময় শুভন মিষ্টান্ন ভান্ডারে অপরিচন্ন ও অস্বাস্থকর পরিবেশে খাদ্য দ্রব্য উৎপাদনের পাশাপশি মিষ্টিজাত দ্রব্য তৈরীর জন্য রাখা ছানায় জীবন্ত কিরাপোকা পাওয়া যায় সেই সাথে জিলাপী সহ বিভিন্ন খাঁদ্য দ্রব্যে মিলে ক্ষতিকর রঙ ও বিষাক্ত হাইড্রোজ ও কেমিক্যলের উপস্থিতি।
এছাড়াও প্রতিটি মিষ্টি দোকানের কার্টুনে পরিলক্ষিত হয় অতিরিক্ত ওজন।
অভিযানকালে শুভন মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১০ হাজার টাকা, অতিরিক্ত ওজনের কার্টুন ব্যবহারের মাধ্যেমে গ্রাহককে ঠকানো এবং অস্বাস্থকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের জন্য পরিন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১০ হাজার এবং খোলা ও অস্বাস্থকর পরিবেশে খাদ্য বিপননের দায়ে মোদক মিষ্টান্ন কে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয় সেই সাথে ব্যবসায়ীদের সচেতানাতামুলক দিক নির্দেশনা দেন এবং সর্তক করেন।
এব্যাপারে শ্যামল পুরকায়স্থ জানান, এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।