
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার সীমান্তঘেঁষা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসতি মোকামপুঞ্জি খাঁসিয়া পল্লী পরিদর্শন করেছেন জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে তিনি জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের একটি দল নিয়ে আকস্মিকভাবে মোকামপুঞ্জি এলাকায় যান এবং খাঁসিয়া কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পল্লীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বাসিন্দাদের জীবনমান নিয়ে মতবিনিময় করেন।
আলোচনায় ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় কিছু অসাধু চক্র রাতের আঁধারে চোরাইপণ্য ও মাদক পাচারের রুট হিসেবে নির্জন এসব এলাকা ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারে। এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় তিনি মোকামপুঞ্জি খাঁসিয়া পল্লীর প্রবেশমুখে স্থাপিত লোহার ফটক প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বন্ধ ও রাতে তালাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ফটক সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনেরও পরামর্শ দেন।
ওসি আরও বলেন, পল্লীর ভেতরে সন্ধ্যার পর যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত আড্ডা বা অনলাইন গেমে দলবদ্ধভাবে সময় নষ্ট না হয় সে বিষয়ে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। তিনি খাঁসিয়া কমিউনিটির নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে পল্লীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোকামপুঞ্জি এলাকা দিয়ে সুপারি, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন চোরাইপণ্য ও মাদক পাচারের চেষ্টা বেড়েছে। এতে পল্লীর অর্ধশতাধিক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, সীমান্তবর্তী মোকামপুঞ্জি এলাকায় পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। শিগগিরই খাঁসিয়া কমিউনিটির সদস্যদের নিয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হবে বলেও তিনি জানান।