1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান Md. Motiur Rahman’s travel permit to the United Arab Emirates শান্তিগঞ্জে সবার জন্য প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন

বানিয়াচংয়ে ২ চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্বের জেরে গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত-৫০

ইমরান আহমেদ চৌধুরী :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ১১১ বার পঠিত

‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের সময় উপজেলার ৭নং বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ আহমদ গ্রেফতার হন। এরপর প্যানেল চেয়ারম্যান ও যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কপিল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বিএনপি সরকার গঠনের পর চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ জামিনে মুক্ত হন। আইনিভাবে নিজের দায়িত্ব ফিরে পেয়ে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান কপিলকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বলেন। কিন্তু কপিল দায়িত্ব হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানান।
আজ সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ কালাইনজুড়া ইউনিয়ন পরিষদে গেলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান কপিলের সাথে এই নিয়ে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়।
​এই বাকবিতণ্ডার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের সমর্থক গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
কদুপুর ও নোয়াগাঁও গ্রামবাসী।​ও হলদারপুর গ্রামবাসী মধ্যে।
দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক ৫০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও ৫ রাউন্ড কাঁদানো গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিবেশ শান্ত করে।

​চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ এর বক্তব্য
“আমার অবর্তমানে মিজানুর রহমান কপিল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেয়। আমি আসার পর সে দায়িত্ব হস্তান্তর না করায় মহামান্য হাইকোর্ট, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যারের লিখিত অর্ডার নিয়ে আমি অফিসে যাই। কিন্তু পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে থাকা মিজানুর রহমান কপিল আমাদের ওপর সশস্র হামলা চালায়। এতে আমাদের অনেক লোক আহত হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
​ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান কপিল এর বক্তব্য
“১০ মাস যাবত ফরিদ চেয়ারম্যান জেলে ছিলেন, তখন আমি দায়িত্ব পালন করেছি। জেল থেকে বের হয়ে আওয়ামী লীগের অনেক লোককে নিয়ে তিনি অফিসে আসলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।”

(উল্লেখ্য, মহামান্য হাইকোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের আদেশের কাগজপত্র থাকার পরও কেন দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।)

“দুই চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্বের জেরেই মূলত এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সময়মতো পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে উভয় পক্ষ শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।”

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর