
লাখাই উপজেলায় নিজ বসত ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সুমনা আক্তার ওরফে রিমা আক্তার (১১) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে।
মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের চরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমনা আক্তার ওই গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুমনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে মানসিক বিকারগ্রস্ত (ভারসাম্যহীন) ছিল এবং ইতিপূর্বেও সে একবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল।
আজ সকালে পরিবারের সবার অজান্তে নিজ বসত ঘরের তীরের সাথে গলায় রশি দিয়ে সে ফাঁস লাগায়।
একপর্যায়ে তার ভাই মাহিন ঘরে ঢুকে সুমনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করে।
পরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সহায়তায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সুমনাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবরে নিহতের পিতা বাবুল মিয়া লিখিত অবহিতপত্র দাখিল করেছেন।
সুমনা মানসিক ভারসাম্যহীন থাকায় তার আত্মহননের পেছনে অন্য কোনো কারণ বা কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই বলে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
এব্যপারে লাখাই থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শরিফ উদ্দিন অবহিত পত্রের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।