এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলার রায়: সাইফুরের মৃত্যুদন্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস
প্রথম সিলেট ডেস্ক:
প্রকাশের সময় :
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
৮০
বার পঠিত
এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলার রায়: সাইফুরের মৃত্যুদন্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস
বাংলাদেশের আলোচিত সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছেন আদালত। (১৪ জুলাই) মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম রনি ও অর্জুন লস্করকে যবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন। বাকী ৪ আসামি আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমানকে খালাস প্রদান করা হয়। এর আগে এ মামলায় ৮ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে তাদের সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আনা...
বাংলাদেশের আলোচিত সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছেন আদালত।
(১৪ জুলাই) মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম রনি ও অর্জুন লস্করকে যবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন।
বাকী ৪ আসামি আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমানকে খালাস প্রদান করা হয়।
এর আগে এ মামলায় ৮ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে তাদের সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আদালতে তাদের উপস্থিত করা হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এই নৃশংস ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও র্যাব অভিযান চালিয়ে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে।
২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন করে আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেন সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। পরে দুটি মামলার বিচারকাজ একই আদালতে করার নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করে বাদীপক্ষ।
মামলাটি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে গৃহবধূ, তার স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আজ মামলাটির রায় ঘোষণা করল।