1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি গুরুতর আহত কুরিয়ারে পাঠানোর আগেই ধরা পড়ল ১ লাখ শলাকা অবৈধ সিগারেট শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীরে শতবর্ষী রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনায় ১২ ফুটের অজগর, দেখতে ভিড় মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে তাহিরপুর উপজেলার ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক লাখাইয়ে নির্মাণাধীন মসজিদে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু শান্তিগঞ্জে ঐতিহাসিক নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে তবলীগ জামাতের মুসল্লীদের নগদ অর্থ ও মোবাইল চুরি-থানায় অভিযোগ দায়ের শ্রীমঙ্গল নতুন বাজারে সাপ দেখে আতঙ্ক, পরে উদ্ধার

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪১ বার পঠিত

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলে ৭.৭ মাত্রার এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা (বিএনপিবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মাউমেরে বন্দরে ভূমিকম্পের সময় এক নারী ও এক পুরুষ মারা গেছেন। এ ছাড়া আরও একজন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের প্রভাবে ওই এলাকার অসংখ্য ঘরবাড়ি ও বন্দর স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতিবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) সুনামির সতর্কতা জারি করেছে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত সমুদ্রসৈকত ও নদীতীরবর্তী এলাকা ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

বিএনপিবির কর্মকর্তা আব্দুল মুহারি স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর ও দক্ষিণ উপকূলের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা খালি করার আহ্বান জানাচ্ছি। উপকূল থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার ভেতরে অথবা ১০ মিটারের বেশি উঁচু পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।”

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ বা অগ্নীবলয়ে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটে। এর আগে ১৯৯২ সালে একই এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামিতে আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

সূত্র: আল-জাজিরা

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর