1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান শান্তিগঞ্জে সবার জন্য প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

১৮ ফুট ঢেঁড়স গাছরে গিনেজে নাম লেখাচ্ছেন অধ্যাপক

প্রথম সিলেট ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৯ বার পঠিত

ছোট বেলায় কবিতার বইয়ে তাল গাছের আকার বুঝাতে পড়তাম ‘এক পায়ে দাঁড়িয়ে সব গাছ ছাড়িয়ে’। তবে আজকে সেই কবিতায় বর্ণিত তালকেও হার মানাবে একটি ঢেঁড়স গাছ। কোমর-মাথা পেরিয়ে একেবারে তাল গাছের সঙ্গে টক্কর দিচ্ছে এই ‘অসামান্য’ ঢেঁড়স গাছ! এখানে ঢ্যাঁড়স তুলতে, থুড়ি পাড়তে লাগবে আস্ত মই। ১৮ ফুট লম্বা এমনই ঢেঁড়স গাছের দৌলতে বিশ্বজয়ের পথে ভারতীয় এক বিজ্ঞানী। এই কীর্তির জন্য ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’ আবেদন করতে চলেছেন তিনি।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালের অধ্যাপক বিজ্ঞানী ডা. সন্দীপ সিঙ্ঘাই। যিনি নিজের বাড়ির বাগানে বেশ কিছু ঢেঁড়স গাছ রোপন করেন। যার মধ্যে একটি গাছ দৈর্ঘ্যে ১৮ ফুট বেড়ে ওঠে। বাকি আরও ২টি গাছ ১০ ফুট করে লম্বা হয়। তাতে ঢেড়সও হয় প্রচুর পরিমাণে।

এই বিজ্ঞানীর দাবি, গাছ রোপণের সময় তার কোনো ধারণাই ছিল না ঢেঁড়স গাছ এতখানি লম্বা হতে পারে। নজিরবিহীন এই ঘটনার জেরে ডা. সন্দীপ ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’ নিজের নাম নথিভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। কারণ এখনও পর্যন্ত বিশ্ব রেকর্ড গড়া ঢেঁড়স গাছের উচ্চতা ১৬ ফুট ৪ ইঞ্চি।

সাধারণত ঢেঁড়স গাছের উচ্চতা হয় ৩ ফুট। কখনও এর উচ্চতা ৫ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। তবে একটি ঢ্যাঁড়স গাছের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট পর্যন্ত হওয়াটা নিঃসন্দেহে আশ্চর্যজনক তা মেনে নিচ্ছেন কৃষিবিদরা।

বিজ্ঞানী সন্দীপ বলেন, পৃথিবীর সর্বোচ্চ এই ঢেঁড়স গাছে ফলও বেশ ভালোই হয়। তবে সমস্যা হল গাছ থেকে ফল পাড়তে রীতিমতো বেগ পেতে হয় সন্দীপ ও তার স্ত্রী শিল্পাকে। ঢ্যাঁড়স পাড়তে মই ব্যবহার করেন তারা।

সন্দীপের স্ত্রী বলেন, সাধারণ ঢেঁড়স গাছ ভেবেই বাগানে এটি রোপণ করেছিলেন তারা। তবে এ যে এভাবে বিশ্বসেরা হয়ে উঠতে পারে এ আমাদের স্বপ্নেরও অতীত ছিল।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর