সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানে ক্রু ও পাইলটের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক ব্রিটিশ নাগরিককে আটক করা হয়েছে। আটক হওয়া ব্যক্তির নাম ফয়েজ আহমদ খান। তাকে এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি দৈনিক প্রথম সিলেটকে নিশ্চিত করেছেন এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান। সূত্র থেকে জানা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইএ ২০৮ নং ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার থেকে সিলেট আসা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ফয়েজ আহমেদ খান যাত্রাপথে বিমানের অন্য যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। কেবিন ক্রুরা তাকে সতর্ক করলে ফয়েজ আহমেদ ক্রুদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন এবং তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি পাইলটও তার অশোভন...
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানে ক্রু ও পাইলটের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক ব্রিটিশ নাগরিককে আটক করা হয়েছে। আটক হওয়া ব্যক্তির নাম ফয়েজ আহমদ খান। তাকে এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিষয়টি দৈনিক প্রথম সিলেটকে নিশ্চিত করেছেন এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।
সূত্র থেকে জানা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইএ ২০৮ নং ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার থেকে সিলেট আসা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ফয়েজ আহমেদ খান যাত্রাপথে বিমানের অন্য যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। কেবিন ক্রুরা তাকে সতর্ক করলে ফয়েজ আহমেদ ক্রুদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন এবং তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি পাইলটও তার অশোভন আচরণের শিকার হয়েছেন।
দুপুর ১টা ৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সিভিল এভিয়েশন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে ওই যাত্রীকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আটক করে।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমদ জানান, বিমানের যাত্রী ও কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য ফয়েজ আহমেদকে আটক করা হয়েছে। এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, কেবিন ক্রু ও পাইলটের সঙ্গে অসদাচরণ করায় ফয়েজ আহমদ খান নামে এক যাত্রীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।
তিনি বলেন, আমরা তার বক্তব্য থেকে জানতে পারি, তিনি উচ্চ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। যে কারণে বিমানে ৪-৫ বার খাবার চাইলে না পেয়ে কেবিন ক্রুর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। অবশ্য পরে মুচলেকা নিয়ে তার এক আত্মীয়ের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।