পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহ তায়ালা কোরআন নাজিল করেছেন। এই মাসে কোরআন ছাড়াও আরও অন্যান্য আসমানী কিতাব নাজিল হয়েছে। রমজান মাসে অবর্তীণ পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো তাওরাত। এই
ইসলাম, যে ধর্মের প্রতিটি বর্ণে আছে ন্যায়বিচার, যে আদর্শ রক্তস্নাত ত্যাগ আর আত্মসমর্পণের ইতিহাসে মোড়ানো, সেই ইসলামকে আজ একদল কপট শকুন নিজেদের লোভের খাদ্য বানিয়ে গিলে খাচ্ছে। রাজনীতির ঘুনে ধরা
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে এসেছে পবিত্র রমজান মাস। রমজানে আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে সারাদিন পানাহার-বিরত থেকে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। সূর্য ডোবার পরে সুন্নত তরিকায় ইফতার করেন রোজাদাররা।
রমজানে রোজা রাখা প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, যেন তোমরা
আমল ইবাদতের মাস রমজান। বছরের অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় এই মাসে মুসলমানরা বেশি ইবাদত করেন। যারা অন্য মাসে নামাজ পড়েন না তাদেরকেও এই মাসে নামাজ পড়তে দেখা যায়। মসজিগুলোতে জনসাধারণের
রহমত, বরকত, ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির পয়গাম নিয়ে এসে গেছে পবিত্র রমজান মাস। তারাবি নামাজের মধ্য দিয়ে শনিবার (১ মার্চ) রাত থেকে শুরু হয়েছে মাহে রমজানের আনুষ্ঠানিকতা। প্রথম তারাবিকে
বাংলাদেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে রোববার (২ মার্চ) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে। শনিবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। এদিকে, চাঁদ
যে সব মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান, অনেক রময় তাদের জন্য রোজা রাখা কষ্টকর হয়। কারণ দুধ খাওয়ানোর কারণে তারা তীব্র ক্ষুধাবোধ করেন, বারবার খেতে হয়। পর্যাপ্ত খাবার না খেলে
রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান ও ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। ইসলামের যতগুলো বিধান সাধারণত সব মুসলামানের ওপর করা হয়েছে তার অন্যতম হলো রমজান মাসের ৩০ দিনের রোজা। অন্যটি হলো নামাজ। আল্লাহ
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানপূর্ব মাস শাবানে অন্যান্য মাসের তুলনায় বেশি নফল রোজা রাখতেন। হাদিসে শাবান মাসে রোজা রাখার বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। এ কারণে অনেকেই শাবান মাসে নফল