যেই স্বাধীন মুসলিম ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য (ঘর, কাপড়, গাড়ি ইত্যাদি)-এর অতিরিক্ত সম্পদ থাকবে, তার ওপর সাদকাতুল ফিতর ওয়াজিব। পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব যার; সাদকাতুল ফিতর আদায় করার দায়িত্বও
ইসলামে জেনা বা ব্যভিচারকে অশ্লীল এবং নিকৃষ্ট কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ পাপের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী যদি বিবাহিত হয়
রোজার ফজিলত সম্পর্কে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: বনি আদমের প্রত্যেকটি কাজের সওয়াব তার নিজের জন্য; রোজা ছাড়া। রোজা আমার জন্য; আমিই রোজার প্রতিদান দিব। (সহিহ বুখারি,
পবিত্র রমজান মাসের অনেক গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। মাসটিতে দোয়া কবুলের কয়েকটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন দোয়া করলে আল্লাহ তা ফিরিয়ে দেন না। তাই প্রত্যেক রোজাদারের উচিত সেই সময়গুলোতে দোয়া
রমজান মাসে দিনের বেলা মশার কয়েল, ধূপ, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানো জায়েজ। এতে রোজার ক্ষতি হবে না। কারণ ধূপ, কয়েল, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালালে আশপাশে ঘ্রাণ ছড়ায় বটে, কিন্তু এর ধোঁয়া নাক
পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহ তায়ালা কোরআন নাজিল করেছেন। এই মাসে কোরআন ছাড়াও আরও অন্যান্য আসমানী কিতাব নাজিল হয়েছে। রমজান মাসে অবর্তীণ পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো তাওরাত। এই
ইসলাম, যে ধর্মের প্রতিটি বর্ণে আছে ন্যায়বিচার, যে আদর্শ রক্তস্নাত ত্যাগ আর আত্মসমর্পণের ইতিহাসে মোড়ানো, সেই ইসলামকে আজ একদল কপট শকুন নিজেদের লোভের খাদ্য বানিয়ে গিলে খাচ্ছে। রাজনীতির ঘুনে ধরা
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে এসেছে পবিত্র রমজান মাস। রমজানে আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে সারাদিন পানাহার-বিরত থেকে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। সূর্য ডোবার পরে সুন্নত তরিকায় ইফতার করেন রোজাদাররা।
রমজানে রোজা রাখা প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, যেন তোমরা
আমল ইবাদতের মাস রমজান। বছরের অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় এই মাসে মুসলমানরা বেশি ইবাদত করেন। যারা অন্য মাসে নামাজ পড়েন না তাদেরকেও এই মাসে নামাজ পড়তে দেখা যায়। মসজিগুলোতে জনসাধারণের